,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বাঘের গর্জন শুনেছে বিশ্ব !

tদিলরুবা খানম, বিডিনিউজ রিভিউজঃ বিশ্ব অবাক থাকিয়ে র‍য়! সেই মহেন্দ্রক্ষণে বাংলাদেশ ক্রিকেট! বছর দুয়েক আগেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দল মাঠে নামতো ভালো লড়াই’র প্রত্যাশায়। এটা এখন সুদুর অতীত!

বদলে গেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব শুনেছে বাঘের গর্জন! পাকিস্তান, ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা আর ইংল্যান্ড বধ সবিই টাইগারদেরই মানায়। অথচ এই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচটা জিততে লম্বা সময় অপেক্ষার প্রহর শেষ। টাইগাররা মাঠে নামে শুধু জয়ের জন্য। এই যে আগামীকাল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ওডিআই, সেটাও জিতবে বাংলাদেশ।

 চট্টগ্রামের মাটি স্পর্শ করা উভয়দলের মধ্যে চনমনে ছিল কিন্তু বাংলাদেশই। বিস্ময় এখানেই, সময় কত দ্রুত পাল্টায়। ক্রিকেট ভক্তরা গর্ব করেন, এই বাংলাদেশ এখন মাঠে নামে জেতার জন্য। সেটা যদি কাল জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আসে তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট পৌঁছে যাবে অন্য উচ্চতায়। তবে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা ম্যাচ জেতা হলেও কখনোই সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ।

বাটলার কান্ড’র ইংলিশ শিবির অবশ্যই তেতে আছে। তারা কাল চাইবে বদলা নিতে। সিরিজ হারের লজ্জার ভয়তো আছেই!  ইংল্যান্ড দলের কেউই সোমবার এ নিয়ে উচ্চবাচ্য করেননি। কথা বলেননি তৃতীয় ওয়ানডে নিয়েও। তবে ইংলিশ পত্রিকাগুলো দেখিয়েছে প্রকৃত চিত্র। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের সাথে বাটলারের যে আচরণ তাকে ডেইলি মেইল বলছে, আউট হয়ে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি তিনি। টেলিগ্রাফ-মিররসহ আরো কয়েকটি পত্রিকার ভাষ্য এরকম, সেরা ব্যাটসম্যানের উইকেট পেলে প্রতিপক্ষ তো উদযাপন করবেই। যেটাকে বাটলার বলছেন, বাংলাদেশ বুনো উল্লাস তার পছন্দ হয়নি। তবে বাংলাদেশ দল আছে আগের মতোই। কালও একইরকম কিছু ঘটলে হয়তো ক্রিকেটারদের উল্লাসের সাথে জড়িয়ে পড়বেন ভক্তরাও। তবে খেয়াল রাখতে হবে, তাতে যেন অতিথিদের প্রতি কোনো অসম্মান না করা হয়।

বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদ মনে করেন, সামর্থ্য অনুযায়ী খেললে সিরিজটি হতে পারে বাংলাদেশেরই। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দলের মাঝে আত্মবিশ্বাসও অনেক বেড়েছে বলে জানান এ পেসার। সংবাদমাধ্যমকে তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘এখন সিরিজটা আরও বেশি জমে গিয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই যে ইংল্যান্ড অনেক শক্তিশালী দল। আমরা যদি সেরাটা খেলতে পারি, তবে সিরিজ জেতা সম্ভব। আসলে ফেভারিট বলে আগানো কঠিন। তবে আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে আশা করি সিরিজ জিততে পারবো। গতকালের ম্যাচ জয়ে দলের মাঝে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।’

চট্টগ্রামের মাটিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড প্রথম মুখোমুখি হয় ২০১০ সালের ৫ মার্চ। সেদিন প্রথমে ব্যাট করা ইংল্যান্ডের ২৮৪ রানের জবাবে বাংলাদেশ ২৩৯ গিয়ে থেমে যায়। সর্বশেষ স্বাক্ষাতটি ছিল বিশ্বকাপের ম্যাচে ২০১১ সালের ১১ মার্চ। নাটকীয়তা ঘেরা সে ম্যাচে ইংল্যান্ডের ২২৫ রানের জবাবে এক পর্যায়ে প্রায় হার দেখতে পাওয়া বাংলাদেশ বোলার শফিউলের ২৪ ও মাহমুদউল্লাহর ২১ রানে কল্যাণে ২ উইকেটে জয় পায়। কারণ, ম্যাচে ১৬৯ রানে খুইয়ে বসেছিল ৮ উইকেট। জহুর আহমদ চৌধুরী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে কাল দু’দলের তৃতীয় স্বাক্ষাৎ। ভেন্যুর লড়াইয়ের ম্যাটিও রুপ নিল তাই ফাইনালে।

মতামত...