,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বান্দরবানের থানচিতে সীমান্ত অবকাশ কেন্দ্র করবে বিজিবি

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ বান্দরবান পার্বত্য জেলার দুর্গম এলাকায় অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের সুবিধার্থে স্বতন্ত্র একটি ট্যুরিজম অঞ্চল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে থানচিতে সীমান্ত অবকাশ নামে বিশেষ কেন্দ্র গড়ে তুলছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। সেখানে তৈরি করা হচ্ছে পর্যটকদের জন্য অত্যাধুনিক আবাসন ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তায় বাড়ানো হয়েছে বিজিবি’র তল্লাশি চৌকি।

৪ হাজার ৪৮০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বান্দরবন পার্বত্য জেলায় মাত্র ১ হাজার ৭শ’ কিলোমিটার সমতল ভূমি হলেও বাকি আড়াই হাজার বর্গ কিলোমিটার ভূমিতে রয়েছে বান্দরবনের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু ও শঙ্খ নদীর ব্যাপ্তি ৮৭ কিলোমিটার। পাহাড়-নদী-বৃক্ষরাজি সবই রয়েছে বান্দরবনে।

পর্যটন স্পট শৈলপ্রপাত, নীলগিরি, নাফাকুম ঝর্ণা, বগালেক, সুউচ্চ পাহাড় কেও ক্রাউডং। কিন্তু বিনোদনের এত কিছু থাকার মাঝেও পর্যটকদের সমস্যার অন্ত নেই।

এ অবস্থায় বান্দরবন পার্বত্য জেলায় পর্যটকদের সুবিধার্থে বিশেষ ট্যুরিজ হাব গড়ে তুলতে চায় সরকার। তারই অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে থানচিতে সীমান্ত অবকাশ নামে একটি বিশেষ অঞ্চল গড়ে তুলছে বিজিবি।

৩৩ ব্যাটেলিয়ন বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এটাকে সীমান্ত অবকাশ নাম দিয়েছি। এখন আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে এই পর্যটন শিল্পটাকে ছড়িয়ে দেয়া।’

বিজিবি’র উদ্যোগে সীমান্ত অবকাশের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো এলাকার চিত্রই পাল্টে গেছে। পর্যটকদের উপস্থিতিতে সরব হয়ে উঠেছে এখানকার উপজাতিদের নিয়ন্ত্রিত বাজারগুলোও।

বিজিবি দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল যেগুলো সচরাচর আমাদের আলোচনায় আসেনি সে সকল অঞ্চলে ভ্রমণের সুযোগ করে দেয়া হবে। আর সেটা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায়-ই হবে।’

সীমান্ত অবকাশের অবস্থান সুউচ্চ পাহাড়ের উপর হওয়ায় নিমিষেই চোখে পড়ে বান্দরবন পার্বত্য জেলার সবগুলো পাহাড়। এখান থেকেই পর্যটকরা যেতে পারেন আশপাশের সবগুলো পর্যটন কেন্দ্রে।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০৮/০০০৪৮৭৬/এস

মতামত...