,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বান্দরবানের পাহাড়ে চলছে জুমের পাকা ধান কাটার উৎসব

jom-paddyনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ বান্দরবানের পাহাড়ে পাহাড়ে চলছে জুমের পাকা ধান কাটার উৎসব। জেলার ৭টি উপজেলায় বিশেষ করে দুর্গম পহাাড়গুলোতে চলতি মৌসুমে রোপিত জুমের পাহাড়ে পাহাড়ে পেকেছে ধান, খাবার উপযোগী হয়ে পড়েছে মারফাসহ হরেক রকম কৃষিপণ্য।

এসব কৃষিপণ্য জুমক্ষেত থেকে আহরণ করে ক্ষেত-খামার এবং ঘরে তুলতে শুরু করেছেন জুমচাষীরা। এবারে জেলার প্রায় ২২ হাজার একর জুম (পাহাড়ে চাষাবাদ) জুমচাষীরা আবাদ করে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই জুম থেকে পাকা ধানসহ রকমারি ফসল কাটতে শুরু করেছেন আদিবাসী চাষীরা।

জেলা শহর থেকে ১২ মাইল দুরে ওয়াইজংশন এবং ১৬ মাইল দুরে চিম্বুক এলাকার পাহাড়ে পাহাড়ে দেখা গেছে পাকাধান কাটতে নারী-পুরুষ জুমচাষীদের।

এ দৃশ্যটি পুরো পার্বত্য জেলার এ সময়ের চিত্রও বটে। কানাপাড়া,ভাংগামুড়া ও ক্যামলং এলাকার কয়েকটি পাহাড়ে গিয়ে জানা গেছে, এবারে জুমক্ষেতে ফলন ভাল হয়েছে, কারণ চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভাল এবং উৎপাদন পরিবেশ ভালই ছিল। চিম্বুক এলাকার ম্রো কৃষক চিমরাই ম্রো এবং খামলিং ম্রো ও লারাই ম্রো জানান, তাদের জুমে এবার ভাল ফসল হয়েছে। ধানের পাশাপাশি ছোটমরিচ,মারফা,মিষ্টি কুমরা,কুমড়া,তিল ও আদার ফলনও ভাল হয়েছে। তবে তিল ও আদা সংগ্রহ করা যাবে আরও কয়েক মাস পর। জেলার সদর,লামা,রুমা,থানচি, রোয়াংছড়ি,আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকায় এলাকায় পাহাড়গুলোতে একইভাবে জুমচাষ হয়েছে। এসব জুমেও ভাল ফলন হয়েছে ধানসহ রকমারী কৃষিপণ্যের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মো.আলতাফ হোসেন বলেন,চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২২ হাজার একর পাহাড়ি জমিতে জুমচাষ হয়েছে। উৎপাদিত হতে পারে প্রায় ৬ হাজার মেট্টিকটন ধান। কমপক্ষে ২লাখ মেট্রিকটন কৃষিপণ্য উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সুত্র বলেছে।

মতামত...