,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বান্দরবানে “মিডওয়ে হোমস” প্রকল্পের উদ্বোধন

bরিমন পালিত, বান্দরবান,বিডিনিউজ রিভিউজঃ পার্বত্য অঞ্চলে নবজাতক মা, ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে “মিডওয়ে হোমস” প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার সকালে বান্দরবানে ক্ষদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনষ্টিটিউট মিলনায়তনে ইউএসওআইডি-ডিএফআইডি এনজিও হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি প্রজেক্টের সহযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা গ্রীনহিল আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ইউএসএআইডি-ডিএফআইডি, এনএইচএসডিপির চিফ অব পার্টি ড: হালিদা হানুম আখতার, ডিজিএফপি ডা: মোহাম্মদ শরীফ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ক্যসাপ্রু, জেলা সিভিল সার্জন ডা: উদয় শংকর চাকমা. গ্রীন হিলের নির্বাহী পরিচালক মং থোয়াই চিং, বান্দরবান সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ, খাগড়াছড়ি পানছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সর্বতম চাকমা, রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন ও বান্দরবান গ্রীনহিল জেলা কমসুচি ব্যবস্থাপক মংশৈনুক মামা’সহ তিন পার্বত্য জেলার ইউপি চেয়ারম্যান ও হেডম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন পার্বত্যঞ্চল এখনো পিছিয়ে আছে অন্যান্য জেলার চাইতে। তবে বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে ব্যাপারে বদ্ধপরিকার। পার্বত্য চুক্তি বা শান্তি চুক্তির অনেকগুলো আইন সংশোধন করা হয়েছে।

ভূমিসহ তিনটি বিষয় ছাড়া অন্যান্য বিভাগ বা সংস্থাগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে। বিভাগ বা সংস্থাগুলো পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হলেও বেশিরভাগ বিভাগ ও সংস্থা লাইন ডিপারমেন্টের অধীনে থেকে গেছে। যার কারণে জেলা পরিষদ হস্তন্তরিত বিভাগে সেভাবে বাজেট প্রণয়ন করতে পারেনা। এই ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সরকার চিন্তাভাবনা করছে।
তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের ব্যাপারে কম বাজেট উপস্থাপন করা হতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যেকোনো ফাইল পাসে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।

বড় কোনো বাজেট বাস্তবায়নেও প্রধানমন্ত্রী বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। যার ভরসায় পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের ব্যাপারে ৫০ কোটি টাকার উপরে প্রকল্প তৈরি করার সাহস দেখাতে পারছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এনএইচএসডিপি’র চিফ অব পার্টি ড: হালিদা হানুম আখতার বলেন, মিডওয়ে হোমস” সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থান থেকে একটু দূরে মধ্যবর্তী স্থানে সেটেলাইট ক্লিনিক স্থাপন করে সেবা দেওয়া হবে।

“মিডওয়ে হোমস” প্রকল্পটি মূলত মা, নবজাতক ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে তিন পার্বত্য জেলায় কাজ করবে।

মাতৃ মৃত্যু হার নবজাতক মৃত্যুর হার কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্গম এলাকায় যেখানে সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন পৌছাতে পারে না সেখানে কাজ করবে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ মাস।

এমসিএইচ পরিচালক ও লাইন ডাইরেক্টর (এমসিআরএএইচ), ডিজিএফপি ডা: মোহাম্মদ শরীফ বলেন, হত দরিদ্রদের মাঝে স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে সবার সহযোগিতা থাকা দরকার।

সরকারের পাশাপাশি এনজিওরাও এগিয়ে এসেছে। সরকার ও এনজিওদের মধ্যে সমন্বয় থাকা দরকার। সরকার গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র খোলেছে।

সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক নিয়োগ করছে। অথচ নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা তাদের কমিটমেন্ট রাখছেন না। যার কারণে সেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

মতামত...