,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বান্দরবানে হতদরিদ্রদের ১০ টাকা কেজি চাল পাচ্ছেন আ.লীগের বিত্তশালী উপদেষ্টা!

rice-10-tkবান্দরবান সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ বান্দরবানে ১০ টাকা কেজি দামের চাল প্রাপ্তদের তালিকায় হতদরিদ্র পরিবারের স্থলে বিত্তশালীদের নামে কার্ড ইস্যু করা হয়েছে আর এ তালিকায় জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টার নাম দেখে বিস্মিত স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রণয়ন করা হতদরিদ্র্য পরিবারগুলোর তালিকা করেছে ইউনিয়ন পরিষদ এবং সেই তালিকা ভিত্তিক কার্ডে সই করেছেন রোয়াংছড়ি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। সরকারি নীতিমালাকে ‘মার’ দিতেই অসাধু খাদ্য কর্মকর্তা উপজেলার হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে মহাজন ও সচ্ছল পরিবারগুলোকে ১০টাকা কেজি দামে চাল ক্রয়ের কার্ড বিতরণ করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এই ধরণের কার্ড পেয়েছেন ক্ষোধ রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা দীপক ভট্টাচার্য।

জানা গেছে,জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্রধান বাজারে পাকা দোতলা আবাসিক হোটেল, গাড়ি এবং বাড়ির মালিক রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা দীপক ভট্টাচার্য। তার নামে ১০টাকা কেজি দামের চাল ক্রয়ের কার্ড ইস্যু করার ঘটনায় পুরো এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তিনি নন, উপজেলার অনেক বিত্তবান ১০টাকা কেজি দামের চাল ক্রয়ের কার্ড পেয়েছেন।

রোয়াংছড়ি উপজেলার বাসিন্দা উ খ্যা মং মার্মা বলেন, আমরা কার্ডের জন্য অনেক তদবির করেও কার্ড পায়নি, কার্ড বড় লোকদের বাসায় পৌছে যায়।

জানা গেছে,অতিউৎসাহী কিছু জনপ্রতিনিধি এবং খাদ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরস্পর যোগসাজশেই হত দরিদ্রদের পরিবারের পরিবর্তে বিত্তশালীদের নামে কার্ড ইস্যু করা হয়েছে রহস্যজনক কারণে, এমন অভিযোগ অনেকের। জেলার রুমা,লামা,নাইক্ষ্যংছড়ি,আলীকদম, থানচি এবং বান্দরবান সদর উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়নে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে ১০ টাকা কেজি দামে চাল বিক্রয় শুরু হয় গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে। আর এ কর্মসূচীর শুভ উদ্ভোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি।

রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহামং মারমা বলেন, দীপক ভট্টাচার্যর ওই কার্ডটি জব্দ করা হয়েছে এবং একজন মহাজনের নাম কি ভাবে তালিকাভুক্ত হল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জেলা খাদ্য অফিস সূত্র জানা যায়, জেলার ৩৩টি ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজার হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০টাকা কেজি দামে চাল বিক্রয় করা হচ্ছে চলতি মাস থেকে,চলবে আগামী জানুয়ারি মাস পর্যন্ত। পরবর্তীতে পুনরায় একইভাবে একই দামে বিক্রি হবে চাল এসব ইউনিয়নে।

এই ব্যাপারে রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা দীপক ভট্টাচার্য বলেন, আমি ১০টাকা কেজি দামের চাল ক্রয়ের কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু গ্রহন করিনি।

মতামত...