,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বাশঁখালীর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত

aবাশঁখালী সংবাদদাতা, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম,বসত ভিটা ও ঘোরস্থান রক্ষা কমিটির কাফন মিছিল কর্মসূচী প্রত্যাহার করার মধ্য দিয়ে আপাতত বাশঁখালীর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে ।

চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের নেতা আবদুল্লাহ কবির লিটনের সাথে আলোচনার পর এই কর্মসূচি প্রত্যাহার করে বসত ভিটা ও ঘোরস্থান রক্ষা কমিটি।

বাশঁখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুমদার, বাশঁখালীর পরিস্থিতি কর্মসূচী ১৫ দিনের জন্য স্থগিত হওয়ার প্রেক্ষিতে আপাতত বাশঁখালীর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এই ঘটনায় নতুন করে কাউকে আটক করা হয়নি।

শনিবার বিকালে  গন্ডামারা গিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা  আবদুল্যাহ কবির লিটন     স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে  বলেন ‘আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা পেয়ে এখানে এসেছি। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো মতামত নেই। আগামী তিনদিনের মধ্যে গন্ডামারা থেকে আটককৃত ব্যক্তিদেরকে মুক্তির ব্যবস্থা করা হবে এবং গ্রামবাসীর বিরোদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করা হবে।’

তিনি আরও বলেন,  জনমতের বিপক্ষে এখানে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন হবেনা, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদেশি পরিবেশবিদ এনে তাদের মতামতের ভিত্তিতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অাবদুল্যাহ কবির লিটনের আশ্বোসের পর বসত ভিটা রক্ষা কমিটির আহবায়ক লিয়াকত আলী তাৎক্ষনিকভাবে রোববারে কাফন মিছিল ও উপজেলা পরিষদ ঘেরাও কর্মসূচী প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

বাসত ভিটা ও গোরস্থান রক্ষা কমিটির আহবায়ক লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, “আমারা ১৫দিনের মধ্যে কোন কর্মসূচী পালন করবো না, বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে যাচাই বাচাই এর পর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বাশঁখালীর গন্ডামারায় চীনের সাথে যৌধ উদ্যোগে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কয়লা ভিত্তিক একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প হাতে নিয়েছে চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপ। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে গত সোমবার বাশঁখালীর গন্ডামরায় এলাকাবাসীর সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ২০জন আহত হয়েছিলো।

 চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা পশ্চিম বড়ঘোনায়। চায়না সেবকো এইচটিজির সঙ্গে যৌথভাবে ৬০০ একর জমির ওপর ২০ হাজার কোটি টাকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে এস আলম গ্রুপ। কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭০ শতাংশের মালিকানা চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের, ৩০ শতাংশের মালিকানা থাকবে দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের।

মতামত...