,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে কে আসছেন? মোরশেদ খান না নোমান!

bnp-noman-morsed-khan বিশেষ সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ চট্টগ্রামের দুই বর্ষীয়ান নেতা এম মোরশেদ খান কিংবা আবদুল্লাহ আল নোমান? কে পাচ্ছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে স্থান? এনিয়ে দলের ভেতরে জোরালো আলোচনা চলছে।

বিএনপির সর্বোচ্চ এ নীতি নির্ধারণী ফোরামের অন্যতম সদস্য আ স ম হান্নান শাহ’র মৃত্যুতে তার জায়গায় সাবেক এ দুই মন্ত্রীর একজন ঠাঁই পেতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে আভাস দেয়ার পর চলছে আলোচনা ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ১৬ জন। ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনের পর গত ৭ আগস্ট ১৯ সদস্যের এ ফোরামে ১৭ জনের নাম ঘোষণা হয়েছিল। দুটি পদ শূন্য রাখা হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর হান্নান শাহ’র মৃত্যুতে স’ায়ী কমিটির তিনটি পদ খালি হয়ে আছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চট্টগ্রাম থেকে জায়গা করে নিয়েছেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ পদের জন্য প্রত্যাশী ছিলেন চট্টগ্রামের আরও দুই প্রভাবশালী নেতা মোরশেদ খান ও আবদুল্লাহ আল নোমান। কিন’ এ দুই বর্ষীয়ান নেতাকে ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে পদোন্নতি দেননি বিএনপি চেয়ারপারসন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহর মৃত্যুতে তার জায়গায় চট্টগ্রামের এ দুই নেতার একজনকে বিএনপি চেয়ারপারসন মনোনীত করবেন বলে দলীয় একটি সূত্র জানিয়েছে। অবশ্য স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে প্রত্যাশী’র সারিতে আছেন শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমেদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও বেগম সেলিমা রহমান।  চট্টগ্রামের দুই নেতার কথা জোরালোভাবে দলের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে বলে জানাগেছে।

সাবেক পররাষ্ট মন্ত্রী এম মোরশেদ খানে বলেন, ‘এ পদের জন্য দলের মধ্যে আমার চেয়ে অনেক সিনিয়র নেতা রয়েছেন। আমি হলাম একজন জুনিয়র নেতা। আর পদ-পদবি নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যাথা নেই। আমি এটা নিয়ে চিন্তাও করি না। কেননা দলের জন্য কাজ করতে পদ-পদবির দরকার হয় না।’

অপর দিকে দলের স্থায়ী কমিটিতে ঠাঁই না পাওয়া আবদুল্লাহ আল নোমান এনিয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাকে ঘিরে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রত্যাশা ছিল। নেতাকর্মীদের চাপেই এ পদ নিয়ে আমি আগ্রহ দেখিয়েছিলাম। না হলে পদ-পদবি আমার কাছে বড় বিষয় না।’

জানা গেছে, ‘অভিমানে’ আবদুল্লাহ আল নোমান আগের ভাইস চেয়ারম্যান পদটি ব্যবহার করছেন না। গত ৩ সেপ্টেম্বর নগরের মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদ ব্যবহার করেননি তিনি। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর নগরের পাহাড়তলী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মৃধার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায়ও তাকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্বোধন করা হয়নি। প্রকাশ,আবদুল্লাহ আল নোমান নিজেই-‘আমি ভাইস চেয়ারম্যান পদবি ব্যবহার না করার চেষ্টা করছি।’

মতামত...