,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিএনপি ‘র অগ্রযাত্রা কে্উ রুখতে পারবে না: মীর নাছির

a.হোসেন বাবলা: বিডিনিউজ রিভিউজঃ বিএনপি’র ঘোষিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সাবেক মন্ত্রী ও মেয়র  মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন ও নির্বাহী সদস্য ব্যারিষ্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর পুরাতন রেল ষ্টেশন চত্বরে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি। এর আগে ঢাকা থেকে ট্রেন যোগে চট্টগ্রাম রেল ষ্টেশনে পৌছেন দুই নেতা।এসময় নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি রেল ষ্টেশন চত্বর ছাপিয়ে প্রধান সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। সংবর্ধনা উপলক্ষে দুপুর থেকে  চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর, দক্ষিন জেলা ও হাটহাজারী, বায়েজিদ এলাকার কয়েক হাজার নেতাকর্মী খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে রেল ষ্টেশন চত্বরে এসে সমবেত হয়।

নেতাকর্মীরা রং-বেরংয়ের ব্যানার, ফ্যাস্টুন, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও ব্যারিষ্টার মীর হেলালের ছবি সম্বলিত প্লেকার্ড বহন করে। এসময় ব্যান্ডদলের বাদ্যের তালে তালে মিছিল শ্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।মীর নাছির ও মীর হেলাল রেলওয়ে প্লাটফর্ম ছেড়ে স্টেশন চত্বরে পৌছলে নেতাকর্মীরা তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে ও পাপড়ী ছিটিয়ে চট্টগ্রামে বরণ করেন।

সংবর্ধনার জবাবে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, শহীদ জিয়ার হাত ধরে ‘জাগদল’ এর প্রতিষ্ঠালগ্ন হতেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করে আসছি। বিগত ৪০ বছরে হাজারো ঘাত-প্রতিঘাত, নির্যাতন-নিপীড়ন, জেল-জুলুম সহ্য করেছি। এক মূহুর্তের জন্যও দলীয় আদর্শ হতে বিচ্যুত হইনি। পদের রাজনীতি করিনা বরং দেশ ও জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করি। সারাজীবন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।

বিএনপির সদ্য ঘোষিত কমিটি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের মন্তব্যের জবাবে মীর নাছির বলেন, তাদের বক্তব্য কুরুচীপূর্ন ও রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার বহির্ভূত। বিএনপির কমিটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামীলীগ নেতাদের গাত্রদাহ প্রমাণ করে বেগম খালেদা জিয়া সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করেছেন। বিএনপি সঠিক পথেই আছে। ১৯৮২সাল হতে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার অনেক অপচেষ্টা হয়েছে। কোন চক্রান্ত সফল হয়নি, ভবিষ্যতে বিএনপির নেতাকর্মীরাই জীবন দিয়ে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।

মীর নাছির বলেন, আওয়ামীলীগের যত ভয় জনগণকেই। তারা জনগণের মতামত, বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা বলেই একেক সময় একেক কিছুর ধুঁয়া তুলে, যেমন এখন জঙ্গীবাদের জিকির তুলে সারাদেশের মানুষকে আতঙ্কিত করে রেখেছে। আর বিদেশী প্রভূদের দয়া খুঁজছে অন্যদিকে তারা যখনই ক্ষমতায় আসে জনগণের আশা-আকাঙ্খা পদদলিত করে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীতাহীন একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বক্তৃতা-বিবৃতিতে কথা বললেও তাদের নেতাদের সন্তানরাই একাজে জড়িত প্রমাণ হয়েছে। আর আওয়ামীলীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী তো বলেই দিয়েছেন যারা কালো কোট (মুজিব কোট) পড়ে জঙ্গীবাদের অর্থায়ন করছে যা এক সপ্তাহের তাদের তালিকা প্রকাশ করবে। আর বন্দরের মাফিয়ারাই জঙ্গীর অর্থায়ন করছে। এতেই প্রমাণিত হয় আওয়ামীলীগ জঙ্গীাবাদকে ক্ষমতায় টিকিয়ে থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। আর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জামায়াত নেতাদের সাথে নিয়ে ব্যবসা করলেও বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের রাজনৈতিক ঐক্য করেছে মাত্র। আওয়ামীলীগের সাহস থাকলে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করুক।

জনগণের নিকট তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী জানিয়ে মীর নাছির বলেন, বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়া এদেশের দেশপ্রেমিক জনতা, স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের ঐক্যের প্রতীক। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে না এবং কোন ষড়যন্ত্র বা অপশক্তির কাছে মাথা নত করবে না। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করে গণরায় নিয়ে পূনরায় বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা অধিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, বিএনপি ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অনেক চক্রান্ত হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সে ষড়যন্ত্র অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতে মোকাবেলা করবে।সংবর্ধনার জবাবে নব নির্বাচিত কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিষ্টার মীর হেলাল বলেন, আমাদের পরিবার অনেক জেল, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শুধুমাত্র জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে। আমি ও আমার পিতা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের এক মূহুর্তের জন্যও পিছনে ফেলে যায়নি। ইনশাআল্লাহ্ যতদিন বেঁচে থাকি এই দলের নেতাকর্মীদের সুখে-দুখে সাথে থাকবো।চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরীর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সহ-সভাপতি শামসুল আলম, দক্ষিন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, আবদুল গাফফার চৌধুরী, উত্তরজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ¦ নুর মোহাম্মদ, মহানগর বিএনপি নেতা নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন জামান, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন দিপ্তী, উত্তরজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান মঞ্জু, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মহানগর বিএনপি নেতা এম.এ.হান্নান, সুবক্তগীণ সিদ্দিকী মক্কী, সৈয়দ আহমদ, জহির আহমদ, ফয়েজ আহমদ, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, আকতার খান, শওকত আজম খাজা, চট্টগ্রাম জেলা বার এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এনামুল হক, মহানগর বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তারিক আহমেদ, এডভোকেট আহমেদ কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, কমিশনার মোহাম্মদ আজম, মোঃ তৈয়ব, মাহাবুব রানা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ উদ্দিন, আলী মর্তুজা খান, বিএনপি নেতা মুজিবুল হক, সাহাব উদ্দিন, জাফর আহমদ, আলাউদ্দিন আলী নুর, শাহআলম, মোহাম্মদ সোলাইমান, সাতকানিয়া বিএনপি নেতা নবাব মিয়া, সন্দ্বীপ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আহসানুল কবির রিপন, হাটহাজারী পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাক আবদুস শুক্কুর মেম্বার, , শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, এডভোকেট এরশাদুর রহমান রিটু, আবদুল্লাহ, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক মামুনুর রশিদ শিপন, এস.এম.আব্বাস, আসলাম উদ্দিন, এম.এ.সাকি, আবু মুছা, ফজল করিম, মোহাম্মদ সেলিম, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ মহিউদ্দিন, আকতার হোসেন লেদু, আবু তাহের, মোঃ মোতালেব, কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল, শ্রমিক নেতা আবু বক্কর ছিদ্দিক, হাসান ওসমান, মহানগর যুবদল নেতা মোঃ হারুন, আনোয়ারুল ইসলাম টিপু, জসিম উদ্দিন, নগর ছাত্রদল নেতা মোঃ শফিকুল আলম, উত্তরজেলা ছাত্রদল সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, সালাউদ্দিন আলী, নুরুল আলম শিপু, মোঃ মান্নান উদ্দিন, সাইফুদ্দিন, জিললুর রহমান জুয়েল, আবদুল কাদের খোকন, শাহআলম, আকবর আলী, মনিরুল ইসলাম জনি, যুবদল নেতা ইয়াছিন, মোঃ শামিমুল হক,  ছাত্রনেতা মোঃ মহরম, সানজিদুল আলম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত...