,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিএন স্কুলে বর্ধিত ফির প্রতিবাদে অভিভাবকদের বিক্ষোভ

944নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,১৩, জানুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন বিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্ধিত বেতন, সেশন ফি, উন্নয়ন ফি এবং স্থায়ী লোকদের বৈষম্যমূলক ভর্তি ফি আদায় প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাজার হাজার অভিভাবক। এসময় পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করলে কয়েকজন অভিভাবক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে তারা হলেন, আমেনা বেগম, ইসমাঈল ও ববি বড়ুয়া।

মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিমানবন্দর সড়কের বিএন স্কুলের সামনে এ অবরোধ দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবকরা। এসময় অন্তত দুই ঘন্টা এ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

পরে ইপিজেড থানার ওসি আবুল কালাম, সিএমপি বন্দর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনান জাহিদুল ইসলাম উপস্থিতিতে স্কুলের অধ্যক্ষ এম এ হাবিব ১০/১৫ দিনের মধ্যেই পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বর্ধিত বেতন, সেশন ফি, অবৈধ উন্নয়ন ফি এবং স্থানীয় লোকদের বৈষম্যমূলক ভর্তি ফি আদায় করার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলে ছাত্র- ছাত্রী, অভিভাবকরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার এবং আন্দোলন স্থগিত করেন ।

অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, চলতি বছরের শুরুতেই নৌবাহিনী পরিচালিত বিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজে তিন গুণ বেতন বৃদ্ধি করেছে। এছাড়া উন্নয়ন ফি, সেশন ফি নামে আদায় করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ।

অভিভাবক আমেনা বেগম বলেন, আমার দুই সন্তান বিএন স্কুলে বেশ কয়েক বছর যাবত পড়াশুনা করে আসছে। পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হলেও অনৈতিকভাবে বেতন, সেশন ফি, অবৈধ উন্নয়ন ফি, বৈষম্যমূলক ভর্তি ফি জমা দেয়ার নোটিশ দিয়েছে। অধ্যক্ষ এর সন্তোষজনক উত্তর না দিয়ে দুর্ব্যবহার করেন এবং উনি গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে কটূক্তি  করেন, শিশুদের  অন্য স্কুলে ভর্তি করতে বলেন। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি।

চট্টগ্রামে অভিভাবকদের সড়ক অবরোধএদিকে কয়েকশ অভিভাবকের গণস্বাক্ষর যুক্ত একটি লিখিত অভিযোগ ডিসি (শিক্ষা) বরাবরে দেয়া হলেও এর প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এম এ হাবিব জানান, এ প্রতিষ্ঠান নৌবাহিনীর আইন কানুন মতো চলে। এখানে চাইলেও আমার করার কিছু নেই। এটি মূলত নৌ কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠান। তারপরও আমরা স্থানীয়দের পড়া সুযোগ দিচ্ছি।

জানা গেছে সকালে অভিভাবকও ছাত্রছাত্রীদের একাংশ কলেজের সামনে প্রধান ফটক ঘিরে ইপিজেড বিমান বন্দর ভিআইপি সড়ক প্রায় ২ ঘন্টা অবরোধ করে রাখলে খবর পেয়ে ইপিজেড থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ লাঠিচার্জ করে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় ফটো সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে পুলিশ তাদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং কয়েকজনের ক্যামেরা কেড়ে নেয়। পরে পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাহমুদ এসে সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেনও ভুল হয়েছে বলে জানান।

এ ব্যাপারে ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, কিছু অভিভাবক স্কুলের দাবি নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছিল এতে যানজন লেগে যায়। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, কয়েকজন সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে এবং সমাধান হয়ে গেছে। পুলিশ কারো ক্যামেরা কেড়ে নেয়নি।

 

মতামত...