,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিমান বহরে যোগ হচ্ছে ‘মেঘদূত’

জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এ আজ শুক্রবার যোগ হচ্ছে নতুন প্রজন্মের একটি জাম্বো জেট। এটা হবে গত ৪ বছরে পঞ্চম নতুন বোয়িং এয়ারক্র্যাফট।

নতুন এই বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফটটি বোয়িং-এর প্রধান উৎপাদনকারী কারখানা আমেরিকার সিয়াটল থেকে ঢাকার পথে রয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর একটা নাগাদ এটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছার কথা।

১৬২ আসন বিশিষ্ট এই এয়ারক্র্যাফটির নাম দেয়া হচ্ছে ‘মেঘদূত’।বিমানের একজন মুখপাত্র জানান, বিমানের পাইলটরা এয়ারক্রাফটিকে দেশে নিয়ে আসছে।

২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যে ৪টি নতুন বোয়িং বিমানের বহরে যুক্ত হয় সেগুলোর নাম হলো পালকি, অরুন আলো, আকাশ প্রদীপ ও রাঙ্গা প্রভাত। সবগুলোই ৭৭৭-৩০০ ইআর টাইপের। ২০২০ সাল নাগাদ আরো ৪টি ঢাকায় পৌঁছবে।

বিমানের মুখপাত্র জানান, পরবর্তী এয়ারক্রাফটি আগামী মাসে বাংলাদেশে পৌঁছবে বলে তারা আশা করছেন। এটা হবে বোয়িং ৭০৭-৮০০। ইতোমধ্যেই এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ময়ূরপঙ্খী’।

তিনি বলেন, ‘অবশিষ্ট ৪টি হবে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিম লাইনার। এটা হবে বেশি জ্বালানি সাশ্রয়ী।’ বোয়িং কোম্পানি গত ২৪ নভেম্বর সিয়াটলে বিমানের কাছে মেঘদূতকে হস্তান্তর করেছে। ২৫ নভেম্বর সেটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।

মেঘদূত যুক্ত হওয়ার পর বিমানের বহরের আকার হবে ১৩টি। বিমান ২০০৮ সালে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের ১০টি এয়ারক্রাফট ক্রয়ের চুক্তি করে। এরমধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ই আর, ২টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং ৪টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিম লাইনার। এগুলোর মোট মূল্য ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিমানের ফ্লাইটগুলো বর্তমানে ১৬টি বিদেশী গন্তব্যে যাতায়াত করছে। এরমধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়া।biman

মতামত...