,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিশ্বকাপের ৩য় স্থানে যুব টাইগাররা

jobaনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম:: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান পেল বাংলাদেশ। যুব বিশ্বকাপে এটা বাংলাদেশের সেরা সাফল্য।

সেমিফাইনালে ক্যারিবয়ানরা ভেঙ্গেছে বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন। কিন্তু তৃতীয় স্থানের জন্য লড়াইটাও কম উত্তেজনার হলো না। শনিবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ৩ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটের জয় পেল বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা ৪৮.৫ ওভারে ২১৪ রানে অল আউট হয়েছিল। রানটা খুব বড় না। তারপরও চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ।

অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ও তার ডেপুটি নাজমুল হোসেন শান্ত যখন ব্যাট করছেন, তখন নিশ্চিন্তই ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৮ রানের মধ্যে তারা দুজনই রান আউট হয়ে গেলেন। ৪ উইকেটে ১৪৭ রান বাংলাদেশের। তাদের আগে জয়রাজ শেখ করেছিলেন ২৬ রান। এর পর মিরাজ টানা চতুর্থ ইনিংসে ফিফটি করলেন। নাজমুলের সাথে গড়েছিলেন ৮৮ রানের জুটি। ম্যাচের সেরা মিরাজ ৫৩ ও শান্ত ৪০ রানে আউট হলেন। চাপে পড়লো বাংলাদেশ।

ঠিক ২০০ রানে পৌছাতে আরো দুই উইকেট হারালো বাংলাদেশ। শফিউল হায়াত ২১ রানে বিদায় নেন। মোসাব্বেক হোসেন ১১ রান করে আউট। ১৮ বলে আরো ১৫ রান বাংলাদেশের। জাকের ইনজুরির কারণে ১৫তম ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গিয়েছিলেন। ২০ রান তখন তার। আবার এলেন জাকের। সাইফুদ্দিন ভালো খেলছিলেন। কিন্তু ৪৯তম ওভারের শেষ বলে ১৯ রানে তিনিও আউট। এর মধ্যে জাকেরের সাথে তিনি জয়ের সাথে ব্যবধান কমিয়েছেন। শেষ ওভারে লাগে ৪ রান। মেহেদি হাসান রানা প্রথম বলে আউট হতে গিয়ে বাঁচলেন। সিঙ্গেল নিলেন। পরের বলে জাকেরের ২ রান। এবং তার পরের বলে বাউন্ডারি মেরে খেলা শেষ করে জাকেরের ‘চেস্ট রোল’ ড্যান্স। বাইরে থেকে মাঠের ভেতরে এসে আব্দুল হালিমও যোগ দেন তার সাথে। ৩১ রানে অপরাজিত জাকের।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করেছে শ্রীলঙ্কা। তাদের অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা ৭৬ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেছেন। নইলে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে লঙ্কানদের দলগত সংগ্রহটা আরো কম হতো। উদ্বোধনী জুটিতেই ৬০ রান পেয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। এরপর একে একে তিনটি আঘাত হানেন বাংলাদেশের অধিনায়ক অফ স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনি তুলে নেন দুই সেট ওপেনার সালিন্দু পেরেইরা (৩৪), কামিন্দু মেন্ডিস (২৬) ও আভিস্কা ফার্নান্দোকে। ১০ রানের মধ্যে ওই ৩ উইকেট হারানোর পর শ্রীলঙ্কানদের আর কখনোই পুরোপুরি গুছিয়ে ওঠা হয়নি।

একপ্রান্ত ধরে রেখেছেন আসালাঙ্কা। প্রতিরোধের গল্প লিখেছেন তিনি আর অন্য প্রান্তে পতন দেখেছেন। তবে ষষ্ঠ উইকেটে আসালাঙ্কার সাথে ওয়ানিদু হাসারাঙ্গার (৩০) ৫৫ রানের জুটি হয়েছে। ৪৪তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। হাসারাঙ্গার পর তুলে নেন জিহান ড্যানিয়েলকে। ৪৯তম ওভারে আরেক পেসার আব্দুল হালিম লঙ্কানদের ইনিংস গুটিয়ে দেন আসালাঙ্কা ও লাহিরু কুমারাকে তুলে নিয়ে। মেহেদি ৩টি, সাইফুদ্দিন ও হালিম নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। বোলারদের সাফল্যটাকে শেষ পর্যন্ত ম্লান হতে দেয়নি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।

মতামত...