,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিশ্বজুড়ে আলোচনায় হামলাকারী ওমর

a নিজস্ব প্রতিবেদক,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা শহরের অরল্যান্ডোতে সমকামীদের একটি নাইট ক্লাবে হামলার পর বিশ্বজুড়ে আলোচনায় হামলাকারী ওমর মতিন। ইতিমধ্যে ওই হামলার দায়ও স্বীকার করেছে জঙ্গি গোষ্ঠি ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এদিকে হামলাকারীর ওমরের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতেই বলে দাবি করেছে মার্কিন বিভিন্ন গণমাধ্যম।

রোববার হামলার আগে শুক্রবারও স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়েছে ওমর। ফ্লোরিডার অবস্থিত ইসলামিক সেন্টার ফর ফোর্ট পিয়ার্স’র ইমাম শফিক রেহমান বলেন, ‘সে এখানে নামাজ পড়তে আসতো এবং রাতের বেলায় নামাজ পড়তো। এরপর সে মসজিদ থেকে চলে যেতো। সে যখন আসতো, সঙ্গে তার পাঁচ বছরের ছেলেটাকেও নিয়ে আসতো।’

ফ্লোরিডার পুরনো মসজিদগুলোর মধ্যে একটি ইসলামিক সেন্টার ফর ফোর্ট পিয়ার্স। ওমরের হামলার খবর যখন মসজিদে পৌঁছে তখন সেখানকার মুসল্লিরা নামাজরত ছিলেন। হঠাৎ করে এই খবর শুনে তাদের অনেকেই হতভম্ব হয়ে যান। নিউ ইয়র্কে জন্ম নেয়া ওমর মতিনের মধ্যে আগে কখনোই উগ্রপন্থার কোনো প্রমাণ পাননি তারা। এমনকি সৌদি আরব বা উপসাগরীয় কোনো অঞ্চলও কখনো ভ্রমণ করেনি ওমর।

ইসলামে নিষিদ্ধ এমন একটি ওমর করতে পারে- বিষয়টি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না স্থানীয়রা। যেহেতু নিরপরাধ মানষের জীবন নেয়ার বিরুদ্ধেই কোরানের অবস্থান।

মসজিদটির মুসল্লি পাকিস্তান বংশোদ্ভূত আখতার কুরেশি (৬৩) বলেন, শনিবারও ওমরের বাবার সঙ্গে একসাথে নামাজ পড়েছেন তিনি। তিনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের শান্তিপ্রিয় একজন মানুষ। রোববার ভোরেই যখন তিনি পালস নাইট ক্লাবে হামলার ঘটনাটি জানলেন, তখন তার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল- তার মসজিদেরই একজন সদস্য হামলাটি চালিয়েছে।

কুরেশি বলেন, ‘সে এখানে বেশিরভাগ সময় শুক্রবার রাতে নামাজ পড়তো। দিনে পাঁচবার আসতো না।’ ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুসারে সাত বছর আগে স্ত্রী সিতরি ইউসিফির সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় ওমরের। আট বছর আগে অনলাইনে ওমরের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় ইউসিফির। পরে তারা বিয়ে করেন। ইউসিফির ভাষ্য অনুসারে, ওমর কখনোই স্থির ছিল না।

 

মতামত...