,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে ইংরেজীকে আয়ত্ত করঃ মেয়র

cmনিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম:: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন মহিলা ডিগ্রি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে উন্নিত হবে। ইংরেজী সহ কয়েকটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করা হবে। মেয়র বলেন, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে ২ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৬ তলা ভবন নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ১ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে ৫ তলা ভবন। মেয়র বলেন, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে জাইকার অর্থায়নে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মিত হবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, কর্ণফুলী তলদেশে ট্যানেল, পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট আউটার লিংক রোড, টাইগার পাস থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে এবং জাইকার অর্থায়নে চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড সমাপ্ত হলে পতেঙ্গা হবে ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে দৃষ্টিনন্দন, পর্যটন নগরীর মডেল ও দামী এলাকা। মেয়র বলেন, ৭ শত ও ৯ শত একর জায়গায় গড়ে উঠবে ইকোনমি জোন। পতেঙ্গায় বিমান ঘাটি, নৌ-বন্দর, নৌ-ঘাটি, ভাবী শিল্প, তৈল স্থাপনা ও কর্ণফুলী ইপিজেড মিলে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পতেঙ্গা। এ এলাকায় কেউ বেকার থাকবেনা। প্রতিটি ঘরে ঘরে কর্মসংস্থান হবে এবং প্রত্যেকে স্বাবলম্বি হিসেবে গড়ে উঠবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, শিক্ষার্থীদের মায়ের ভাষা বাংলার পাশাপাশি ইংরেজী ভাষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে ইংরেজী ভাষাকেও আয়ত্তে রাখতে হবে। মেয়র শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশ ও জাতির যোগ্য নাগরিক হতে হলে জ্ঞানে ও গুনে বড় হতে হবে। সফল হতে হলে দেশপ্রেমে বলিয়ান হয়ে সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। আলোকিত হয়ে দেশ ও সমাজে আলো ছড়িয়ে নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হতে হবে। ২০ ফেব্রুয়ারি শনিবার, দুপুরে পতেঙ্গা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজের নব নির্মিত ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি এ সব কথা বলেন। কলেজ গর্ভনিং বডির সভাপতি কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ১১ নির্বাচনী এলাকার সাংসদ আলহাজ্ব এম আবদুল লতিফ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, ৪০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. জয়নাল আবদীন, ৪১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী ছালেহ আহমদ চৌধুরী, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসেস শাহানুর বেগম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন। মঞ্চে কলেজ প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইসহাক, মাজহারুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার নুর নাহার মোতালেব, সাবেক কমিশনার জাফর আলম সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ফলক উন্মোচন ও মোনাজাতের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক ও সাহিত্য সম্মাননা পুরস্কার প্রদান

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আগামীকাল ২১ ফেব্রুয়ারিরবিবার, বিকেল সাড়ে ৪টার সময় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পাশ্বস্থ মুসলিম ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বই মেলার একুশ মঞ্চে অমর একুশে স্মারক সম্মাননা পদক ও সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে একুশে স্মারক সম্মাননা পদক পাবেন শিক্ষায় প্রফেসর রওশন আক্তার হানিফ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় আ জ ম ওমর (মরণোত্তর), সমাজসেবায় পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ফজল করিম (মরণোত্তর), শিক্ষা বিস্তারে আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাকারিয়া, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য সিরু বাঙালি এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অরুন চন্দ্র বণিক। এছাড়াও সাহিত্য সম্মাননা পুরস্কার পাবেন কথাসাহিত্যে কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (মরণোত্তর), কবিতায় ফাউজুল কবির, শিশুসাহিত্যে রাশেদ রউফ, বিশ্বসাহিত্যে খুরশীদ আনোয়ার, প্রবন্ধে হাফিজ রশিদ খান এবং গবেষণায় নূর মোহাম্মদ রফিক। সংশ্লিষ্টদের যথা সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে

সিটি মেয়রের বাণী

 

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এক বাণীতে মেয়র বলেন, ঊন্নিশ বায়ান্নের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতিসত্তার উন্মেষ ও রক্তোজ্জল স্বীকৃতির গৌরবময় দিন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ২১ ফেব্রুয়ারি রোপিত হয়েছিল যে রক্তবীজ ১৯ বছরের মাথায় ১৯৭১ সালে তা পরিণত হয়েছিল স্বাধীনতার মহীরুহে। একুশে ফেব্রুয়ারি তাই প্রত্যেক বাঙালির কাছে রক্তাক্ত পবিত্র অঙ্গিকার। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে বিশ্ববাসী অনুভব করতে সক্ষম হবে মাতৃভাষা একটি দেশের জাতি সত্তার প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

তিনি বাংলা ভাষার উজ্জল সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার লক্ষে দেশের আপামর জনসাধারণ ও নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

 
বি এন আর/০০১৬০০২০২০/০০১০৭/বি

মতামত...