,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বিস্ময়কর কোরআনে হাফেজ জমজ ২ অন্ধ সহোদর

hafzনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম ::  ইচ্ছা শক্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দুই অন্ধ সহোদর হাসান-হোসাইন। জন্ম থেকে পৃথিবীর আলো না দেখলেও কোরআন আলো ঠিকই রপ্ত করেছেন। কোরআ  তেলাওয়াত হত সেখানেই ছুটে যেত। চোখে না দেখলেও মন দিয়েই শুনতো কোরআনের সূরাগুলো। আর সেই আগ্রহ থেকেই ৭ বছর বয়সেই মাত্র এক মাসে কোরআনে হাফেজ হলো দু’সহোদর।

যেমন কণ্ঠস্বর, তেমন মায়াবী চেহারার  দু’ভাইয়ের কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত শুনে মুগ্ধ ফরিদগঞ্জবাসী। জন্মান্ধ হয়েও শুনে শুনে পবিত্র কোরআন মুখস্ত করেছে ৭ বছরের জমজ দু’ভাই ।

সম্প্রতি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের মাহফিলে দু’ভাইয়ের কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত শুনে  উপস্থিত মুসলমানরা   মুগ্ধ হয়ে অনেকেই তাদের  পুরস্কৃত করেন । তাদের সুললিত কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের  সূরের মূর্ছানায় সকলেরই  হৃদয় বিগলিত করে।

জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সাহেবগঞ্জ গ্রামের কামিন উদ্দিন ছৈয়াল বাড়ির মো. আলমগীর হোসেনের জমজ এ দু’সন্তান হাসান-হোসাইন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়ায়  তারা সমাজে অবহেলিত ছিল। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে আলমগীর হোসেন তার দু’জমজ সন্তান হাসান-হোসােইনকে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ মো. নজরুল ইসলামের কাছে কোরআন শিক্ষার জন্য ভর্তি করেন । কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্য  মাত্র এক মাসের  তারা কোরআনে মুখস্থ করে এলাকার সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন।তারা কোরআনে হাফেজ হয়ে যান।  তাদের কোরআন তেলাওয়াত শুনতে প্রতিদিনই ভিড় করেন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।  হাফেজ হাসান-হোসাইন ভবিষ্যতে বড় আলেম হতে চায়। ফলে তারা এখন  মাদ্রাসায় ভর্তি হতে চায় বলে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ওরা দু’জনই আমার ছাত্র। ইচ্ছাশক্তি থাকলে অন্ধ থেকেও যে আল্লাহর কালাম শরীফ পবিত্র কোরআন যে কেউ মুখস্ত করতে পারে হাসান-হোসাঈন তার বাস্তব উদাহরণ। আমি আশাবাদী, ওরা আগামীতে আরো ভালো করবে।

মতামত...