,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ব্রোকারেজ লাইসেন্স ইস্যুর সিএসইরপ্রস্তাব নাকচ

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের  শেয়ারহোল্ডাররা নতুন ব্রোকারেজ লাইসেন্স ইস্যুর অনুমোদন দেননি ।
 সিএসইর চেয়ারম্যান ড. আবদুল মজিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন জানান, নতুন ৫০টি ব্রোকারেজ লাইসেন্স বিক্রির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) স্টক এক্সচেঞ্জটির শেয়ারহোল্ডাররা পরিচালনা পর্ষদের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
 সিএসইর পরিচালনা পর্ষদ স্টক এক্সচেঞ্জটির লেনদেন ও ব্যবসা বাড়াতে ৫০টি নতুন ব্রোকারেজ লাইসেন্স বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী, পর্ষদের এ সিদ্ধান্তে স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে বৃহস্পতিবার ইজিএম হয়। সিএসইর ব্রোকারেজ হাউসের মালিকরাই বর্তমান শেয়ারহোল্ডার। আইনে স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা ও ব্রোকারেজ হাউসের (ট্রেকরাইটহোল্ডার) লাইসেন্স আলাদা করা হয়েছে। ফলে স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডাররাই চাইলে শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে নতুন কারো কাছে ব্রোকারেজ লাইসেন্স বিক্রি করার সুযোগ রয়েছে। ডিমিউচুয়ালাইজেশন বাস্তবায়নের আগে এ বিষয়টি ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মালিকদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতো।
 সিএসইর চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, ‘এক বছর আগেও সিএসইতে শেয়ার কেনাবেচা ডিএসই ও সিএসইর সম্মিলিত শেয়ার কেনাবেচার ৮-১০ শতাংশ ছিল। কিন্তু গত কয়েক মাসে তা ৬-৭ শতাংশ পর্যন্ত নেমে এসেছে। স্টক এক্সচেঞ্জের ১৪৭ ব্রোকার ডিলার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০-২৫টি ছাড়া কেউই নিজেরা শেয়ার কেনাবেচায় নেই। এ অবস্থায় দৈনিক ১৮-২০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন নিয়ে দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোর অর্থেরই যোগান হচ্ছে না। ব্যাংকে জমানো টাকার সুদের অর্থের ওপরই নির্ভর করে চলছে সিএসই।’
তিনি আরও জানান, এই পরিস্থিতিতে শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ বাড়াতে নতুন ব্রোকার লাইসেন্স বিক্রির মাধ্যমে লেনদেন বাড়বে বলে পর্ষদ আশা করেছিল। কিন্তু প্রস্তাবে রাজি হননি শেয়ারহোল্ডাররা।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন বলেন, ‘ডিমিউচুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জে ব্রোকারেজ ব্যবসা পরিচালনার ক্ষমতা নির্দিষ্ট  কোনো গ্রুপের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। স্টক এক্সচেঞ্জ প্রয়োজন মনে করলে নতুন ব্রোকারেজ হাউস পরিচালনার জন্য লাইসেন্স প্রদান করতে পারে।’
প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই পর্ষদ নতুন ব্রোকারেজ লাইসেন্স বিক্রির প্রস্তাব করেছিল জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এতে যে কেবল স্টক এক্সচেঞ্জ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হতো না, প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়লে শেয়ারহোল্ডাররাও লাভবান হতেন। তবে শেয়ারহোল্ডাররা তা মনে করছেন না।’
  প্রস্তাবের শুরু থেকেই  সিএসইর শেয়ারহোল্ডার নতুন ব্রোকারেজ লাইসেন্স বিক্রির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। এমনকি ইজিএমের শুরুতেই অন্তত ৪৫ শেয়ারহোল্ডার প্রস্তাবের বিপক্ষে তাদের লিখিত আপত্তি জানান।

 

মতামত...