,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বড়দিন-থার্টিফার্স্টে বাড়ছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি

117নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম , ২২,ডিসেম্বর(বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):বড়দিনে বিভিন্ন গির্জা ও খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকা এবং ঢাকার কূটনৈতিক পাড়াসহ বিশেষ কয়েকটি এলাকা ,বিদেশি নাগরিকদের বাড়তি নিরাপত্তা, গোয়েন্দা নজরদারির বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে  জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন,তারা যেন উৎসবমুখরভাবে বড়দিন পালন করতে পারেন, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি ছাড়াও আমরা দৃশ্যমান নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বড়দিন ও ‘থার্টিফার্স্ট নাইট’ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির এক সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্মল রোজারিও বড়দিনে গির্জাগুলোতে গতবছরের চেয়ে বাড়তি ও দৃশ্যমান নিরাপত্তা চেয়েছেন।

দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট এলাকায় বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে ব্যক্তি বা সম্পদের ধ্বংস ও ক্ষতির ঝুকি এড়ানোর পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ঠেকানোর লক্ষ্যে লোকবল নিয়োগ ও নজরদারি চালানো হয়।

এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় (সিসিটিভি) নজরদারির পাশাপাশি নিরাপত্তাপ্রহরা, সুরক্ষামূলক বাধা তৈরি, মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশিসহ কয়েক স্তরের আয়োজন থাকে।

এবার ২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিনেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈদ-ই-মিলাদুন্নাবী হচ্ছে।

দুই ধর্মের অনুষ্ঠান একই দিনে হওয়ায় ‘কোনো ধরনের সমস্যা হবে না’ মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাঙালিরা ধর্মভীরু, কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। তাই কোনো সমস্যা হবে না।”

বড়দিনে রাজধানীর ৬০টি গির্জাসহ সারা দেশের সব গির্জা ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) আওতায় আনার পাশাপাশি আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর থাকবে বলে জানান তিনি।

৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর কূটনৈতিক পাড়া এবং রাজধানীর কয়েকটি বিশেষ এলাকায় প্রবেশে কড়াকড়িসহ আগের তিন দিন ঢাকা শহরে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোরও সিদ্ধান্ত হয় সভায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “থার্টিফার্স্ট নাইটেও বাঙালিরা উৎসব করে। তাই ওই দিন উৎসব যেন সুন্দর হয়। সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

“কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। গুলশান, বনানী, হাতিরঝিল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাত ৮টার পর যেন বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

বছরের শেষ দিনের নিরাপত্তা ব্যব্স্থা নিয়ে ঢাকার পুলিশ কমিশনার পরে বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে আসাদুজ্জামান কামাল জানান।

সভায় স্বরাষ্ট্রসচিব মো. মোজাম্মেল হক খান, পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মোখলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মতামত...