,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

‘ভারতের রাজধানী ‘ঢাকা’!

 aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ ডটকমঃ শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষা কর্মকর্তা প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ভারতের রাজধানীর নাম কী?’ উত্তর শুনে থ পরিদর্শকরা। পশ্চিমবঙ্গের আউশা প্রাথমিক স্কুলের ওই শিক্ষার্থী জানায়, ‘ঢাকা’! এটা কৌতুক নয়, বাস্তবচিত্র। শুধু আউশা নয়, বর্ধমানের কয়েকটি স্কুল ঘুরে পরিদর্শকরা শিক্ষার্থীদের কাছে এ ধরণের অদ্ভূত উত্তর পেয়েছেন।

বিহারে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কলা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকারী রুবি রায় এক সাক্ষাৎকারে পলিটিক্যাল সায়েন্সকে ‘প্রডিক্যাল সায়েন্স’ বলার পরে সাড়া পড়েছে সেখানকার পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে। ওই ছাত্রীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্কুলের সমস্যা, পড়াশোনার মান খতিয়ে দেখতে আচমকা স্কুলে হানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসককে প্রধান রেখে তৈরি হয়েছে ‘মনিটরিং কমিটি’। মাসখানেক ধরে নানা স্কুলে যাচ্ছেন কমিটি সদস্যরা। জেলাশাসক সৌমিত্র মোহন এ দিনই প্রথম পরিদর্শনে যান। সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রাথমিক স্কুল সংসদের সভাপতি অচিন্ত্য চক্রবর্তী ও জেলা পরিকল্পনা কর্মকর্তা (সর্বশিক্ষা অভিযান) শারদ্বতী চৌধুরী।

সোমবার বর্ধমানের কাশিয়ারা-রাইপুর হাইস্কুল পরিদর্শণের কালে শিক্ষা কর্মকর্তা প্রশ্ন করেন,  ‘বল তো, আমাদের দেশের নাম কী?’ এক ছাত্র সটান বলে দিল, ‘বাংলাদেশ!’ কয়েকজন ছাত্র জানাল, উত্তর জানা নেই। এর আগে মেমারির কুচুট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে যান পরিদর্শকরা। তাঁরা শিক্ষার্থীদের ‘আই লিভ ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল’ লিখে দেখাতে বলেন। কিছু শিক্ষার্থী ‘আই লিভ ইন’ পর্যন্ত পারলেও কেউ ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’ লিখে উঠতে পারেনি। পাশের হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বই দেখে ইংরেজি ‘রিডিং’ পড়তে বলা হলে সে পারেনি। কর্মকর্তারা ক্লাসের শিক্ষককেই ‘রিডিং’ পড়ে দেখিয়ে দিতে বলেন। তাঁর উচ্চারণ শুনেও বিরক্ত হন তারা। কাশিয়ারা-রাইপুর হাইস্কুল ও আউশা প্রাথমিক স্কুলে যান জেলা প্রশাসক।

জেলা পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারদ্বতীদেবী জানান, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষা দফতর। শিক্ষকের গাফিলতি পেলে ব্যবস্থাও নিতে বলা হয়েছে। এ দিনই এক প্রধান শিক্ষক ও এক শিক্ষককে নিয়ম ভেঙে ছুটি নেওয়ার জন্য শো-কজ করা হয়। টিফিনের পরে স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়ায় শো-কজ করা হয়েছে আর এক প্রধান শিক্ষককে।

 

মতামত...