,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ভারতে পিঁয়াজের রপ্তানি মূল্য কমলো অর্ধেক

দেশের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে পিঁয়াজ আমদানি করতে হয়। ফলে দেশটি রপ্তানি বন্ধ বা সীমিত করলে কিংবা তাদের উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হলেই বাংলাদেশের বাজারে দাম বেড়ে যায় পিঁয়াজের।

গত অগাস্টে অকাল বৃষ্টির কারণে ভারতের বাজারে পিঁয়াজের সঙ্কট দেখা দেয়। ফলে বেড়ে যায় দাম। তাই রপ্তানি ঠেকাতে সে দেশের সরকার রপ্তানিমূল্য প্রতি মেট্রিক টনে ৪২৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭০০ ডলার নির্ধারণ করে। যার প্রভাব পরে বাংলাদেশের বাজারেও, ৯০ টাকা ছাড়ায় প্রতিকেজি পিঁয়াজের দাম। ভারতের বাজারে অবশ্য এরচেয়ে অনেক বেশি ছিল দাম।

তবে এবার পিঁয়াজের রপ্তানি মূল্য প্রতি মেট্রিক টনে ৭০০ ডলার থেকে কমিয়ে ৪০০ ডলার করেছে ভারত। এমনটাই জানিয়েছে দেশটির অন্যতম প্রধান সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি। সংবাদ মাধ্যমটি এ সংক্রান্ত এক খবরে জানায়, সরকার পিঁয়াজের রপ্তানি মূল্য কমিয়েছে বলে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বৃহস্পতিবার এক টুইটে জানিয়েছেন।

এদিকে ভারতের রপ্তানি মূল্য কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে পিঁয়াজের দাম আরো কমবে। যদিও বাজারে নতুন পিঁয়াজ উঠায় ইতোমধ্যে দাম কয়েক দফা কমেছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতিকেজি ভারতীয় পিঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে প্রতিকেজি দেশি পিঁয়াজের দাম ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা।

ভারতে পিঁয়াজের রপ্তানি মূল্য কমায় দেশের বাজারে এর প্রভাব সম্পর্কে যশোরের আমদানিকারক দেব রায় বাংলামেইলকে বলেন, ‘ভারতে দুইদিন আগেও ৭০০ ডলার মেট্রিকটনে পিঁয়াজ রপ্তানি করা হয়েছে, ওই দামেই আমরা তা আমদানি করেছি। আমদানি পণ্য বিক্রি হলেই পরবর্তীতে নতুন দামে পিঁয়াজ আনা হবে।’

কাওরানবাজারের খান অ্যান্ড সন্সের মালিক গৌতম রায় বাংলামেইলকে বলেন, ‘আমাদের কাওরানবাজারে প্রতি কেজি ভারতীয় পিঁয়াজ ২৭ থেকে ২৮ দরে বিক্রি করছি। নতুন দামের পিঁয়াজ এখনো আমাদের হাতে এসে পৌঁছেনি।’

শ্যামবাজারের রুনা বাণিজ্যালয়ের সত্ত্বাধিকারী মো. ইলিয়াস বাংলামেইলকে বলেন, আমাদের এখানে আগের পিঁয়াজ ২৪ থেকে ২৬ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ভারত রপ্তানি মূল্য কমিয়েছে বলে শুনেছি। যদিও সেই পিঁয়াজ আসতে কিছুটা সময় লাগবে। তখন পিঁয়াজের দাম আরো কমবে।’

তিনি জানান, প্রতিবছর কয়েক লাখ মেট্রিক টন পিঁয়াজ আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। যার বেশিরভাগটাই আসে ভারত থেকে। onion

মতামত...