,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ভোটে হারলেও নির্বাচনে রাজনৈতিক জয় আ. লীগের: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::রংপুর সিটি নির্বাচনে ভোটের ফলাফল আসার শুরু থেকেই বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। শেষ পর্যন্ত ফলাফল কী হয় এ নিয়ে সংশয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তবে এই ভোটে হারলেও অখুশি নয় দলটি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভোটে তারা হারলেও এই নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে জয় তাদেরই।

বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় ভোট শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন কাদের।

এই সংবাদ সম্মেলন চলাকালেই ভোটের প্রাথমিক ফলাফল দিচ্ছিল টেলিভিশনগুলো। শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের সরফুদ্দিন আহমেদ ঝণ্টুর তুলনায় জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার তথ্য জানাচ্ছে টেলিভিশনগুলো। আর বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলার অবস্থান অনেক বেশি ব্যবধানে তৃতীয়। তিনি আওয়ামী লীগের অর্ধেক ভোট পাচ্ছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আমাদের ভোটে পরাজয় হয়েছে, কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক জয় হয়েছে।’

কীভাবে জয় হয়েছে তারও ব্যাখ্যা দেন কাদের। বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন যে স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ নির্বাচনের রেকর্ড রেখে যাচ্ছে। এবং এটা হলো গণতন্ত্রের বিজয়।’

২০১২ সালে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ঝণ্টু। তখন তিনি জাতীয় পার্টির নেতা মোস্তফাকে হারিয়েছিলেন প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। পাঁচ বছর পর আজকের ভোট হয়েছে দলীয় প্রতীক।

এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘সব নির্বাচনেই কি জিততে হবে? আমাদের মেয়র প্রার্থী তো নারায়ণগঞ্জে বিজয়ী হয়েছে। বিগত নির্বাচনে তিনি (ঝন্টু) স্বতন্ত্রভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এবারই আমরা তাকে মনোনয়ন দিয়েছি। আমরা তো কুমিল্লায় হেরে গিয়েছিলাম, সেটার রেজাল্ট তো মেনে নিয়েছি। আমরা এটাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছি। এর ভিক্টর হচ্ছে জনগণ।’

এই নির্বাচন আগামী নির্বাচনে বিএনপির জন্য একটা বার্তা বলেও মন্তব্য করেন কাদের। বলেন, তাদের যে আসলে কোনো জনভিত্তি নেই সেটিই ভোটের ফলাফলে প্রমাণ হয়েছে।

ভোটে বিএনপির কারচুপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাদের বলেন, ‘বানরে সংগীত গাই, সীতা জলে নাচে।’

আওয়ামী লীগ নেতা মতিয়া চৌধুরী, দীপু মণি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুন্নাহার লাইলী, আবদুস সোবহান গোলাপ, দেলোয়ার হোসেন, বিপ্লব বড়ুয়া, এসএম কামাল হোসেন, রিয়াজুল কবির কাওছার, আমিরুল আলম মিলন, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

মতামত...