,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ভোলার তজুমদ্দিনে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা, এক্সরে ও প্যাথলজি ১ যুগ ধরে তালাবদ্ধ

vকামরুজ্জমান শাহীন,ভোলা, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন রুম ও প্যাথলজি বিভাগের রুমগুলো এক যুগেরও বেশী সময় ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নেই রেডিওগ্রাফার ও ম্যাডিকেল ল্যাবরেটরী টেকন্যাশিয়ান সহ প্রয়োজনীয় লোকবল। অযতœ ও অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মেশিন এবং যন্ত্রপাতি। রোগ নির্ণয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারন রোগীরা।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, তজুমদ্দিনের প্রায় ২ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতালটি ২০০৩ সালে এক্সরে মেশিন পাওয়ার পর থেকে এ যাবৎ রেডিও গ্রাফার না থাকায় মেশিন রুমটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়া ১৫ বছর যাবৎ ম্যাডিকেল ল্যাবরেটরী টেকন্যাশিয়ান না থাকায় প্যাথলজি বিভাগের রুমগুলোও বন্ধ রয়েছে।
হাসপাতাল সুত্র আরো জানায়, একজনকে তজুমদ্দিনে কর্মরত দেখিয়ে ভোলায় বসিয়ে রাখা হয়েছে। এ দুটি বিভাগে কোন ষ্টাফ কর্মরত না থাকায় অযতœ-অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মেশিন ও যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি ইউরিন, রক্ত পরিক্ষা ও ডায়াবেটিস সহ জটিল রোগ নির্ণয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হয় এই উপজেলার সাধারন মানুষকে। এছাড়া জটিল কোন সমস্যায় রোগীদের এক্সরে বা রক্ত পরিক্ষা করার প্রয়োজন হলে ডাক্তাররা তাদেরকে ভোলা সদরসহ বিভিন্ন ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে রেফার করেন।
গ্রামাঞ্চলের অসহায় রোগীরা দুর দুরান্তে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়ে বেশী টাকা খরচ করতে বাধ্য হন। মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসা নিতে আসা চাদপুর ইউনিয়নের বাসীন্দা শাহে আলম জানান, একযুগেও রুমের তালা খোলেনি, যন্ত্রপাতি থাকা সত্বেও অপরেটরের অভাবে কোন পরিক্ষা করানো যায়না। সরকারী প্রতিষ্ঠানেই অবহেলা ও ভোগান্তি বেশী।
অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকারী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অমিয় দেব ভট্ট জানান, জনবলের সংকটের কারনে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হইতেছে। রোগ নির্ণয় করতে হলে পরিক্ষা প্রয়োজন, যা হাসপাতালে করানো যায়না। উর্দতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করানো হয়েছে।

মতামত...