,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহিউদ্দিন কে প্রধানমন্ত্রীঃ সংগঠনকে এগিয়ে নিন

1001নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,২৩, জানুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চট্টগ্রামের সর্বশেষ সাংগঠনিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।  প্রধানমন্ত্রী তাকে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২২ জানুয়ারি)রাতে ঢাকায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মহিউদ্দিন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর নির্বাচনের দশ মাস পর  এই প্রথম  চট্টগ্রামের সাংগঠনিক চিত্র তুলে ধরতে দলীয় সভানেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে  যান মহিউদ্দিন এই সময় মহিউদ্দিনের সঙ্গে তার দুই ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন উপস্থিত ছিলেন।

নওফেল বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, প্রায় আধাঘণ্টা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহিউদ্দিন চৌধুরী।  প্রথমে প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিনের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।  উভয়ে ব্যক্তিগত কিছু বিষয়ে কথাবার্তা বলেন।

মহিউদ্দিন নির্বাচনের পর চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, নেতাদের কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক কর্মসূচীসহ বিস্তারিত বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।  চট্টগ্রামের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ও তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।  আলাপে চট্টগ্রামের নেতাদের মধ্যে টানাপড়েনের বিষয়টিও উঠে আসে।

নওফেল জানান, এসময় প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিনকে বলেন- চট্টগ্রামে সংগঠন যেভাবে চলছে, সংগঠনটাকে ধরে রাখেন।  যারা জ্বালাও পোড়াও করে, দেশটাকে জঙ্গিরাষ্ট্র বানাতে চায়, যুদ্ধাপরাধীরা যাতে মাথা তুলতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকবেন।  নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মহিউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেন বলে নওফেল জানান।

শনিবার মহিউদ্দিনের চট্টগ্রামে ফেরার কথা রয়েছে বলে জানান নওফেল।

অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দুইবার এবং একবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়রের আসনে বসা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ২০১৫ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে মহিউদ্দিনের সামনেই মনোনয়ন দেয়া হয় তারই উত্তরসূরী নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনকে।
মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে পরোক্ষভাবে অভিমান প্রকাশ করলেও চট্টগ্রামে সংগঠনের হাল ছেড়ে দেননি মহিউদ্দিন। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের রাজনীতির বড় অংশ এখনও দৃশ্যত মহিউদ্দিনের নিয়ন্ত্রণেই আছে।

তবে ‘অভিমানী’ মহিউদ্দিন নির্বাচনের পর থেকে আর গণভবনমুখী হননি।  মাঝে টুঙ্গিপাড়ায় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে এবং চট্টগ্রামে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচীতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলেও সাংগঠনিক আলাপ তেমন হয়নি ।  কিন্তু নির্বাচনের দশ মাস পর নিজে থেকেই দলীয় সভানেত্রীর কাছে ছুটে গেলেন মহিউদ্দিন।

মতামত...