,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে নীরবে কাঁদলেন গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::চট্টগ্রাম মহা নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসায় গিয়ে কাঁদলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর সময় মন্ত্রী ভারতে অবস্থান করায়  রবিবার বিকাল তিনটায় মন্ত্রী সরাসরি এই চট্টল বীরের কবরস্থানে যান। সেখানে গিয়েই তিনি আর কান্না ধরে রাখতে পারেননি। দু’চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে পানি। কবর জেয়ারত করে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনে গেলে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় মন্ত্রীর স্ত্রী আয়েশা সুলতানাও মন্ত্রীর সাথে ছিলেন। মন্ত্রী চট্টলবীরের স্ত্রী চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন, তাঁর ছেলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, জামাতা সেলিম আকতার চৌধুরীসহ পরিবারের সকল সদস্যদের সান্ত¦না দেন। এক পর্যায়ে নওফেলকে জড়িয়ে ধরে আবারো কেঁদে ফেলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ–সভাপতি অধ্যাপক মাঈনুদ্দিন, যুগ্ন সম্পাদাক আবুল কালাম আজাদ, আলহাজ জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাউজান পৌরসভার মেয়র দেবাশীষ পালিত, কোষাধ্যক্ষ ও উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, শিক্ষা ও মানবকল্যাণ সম্পাদক বেদারুল আলম বেদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন শাহ, সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন রাশেদ, আবুল বশর, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ–সম্পাদক সেলিম উদ্দিন সেলিম, কেন্দ্র্রীয় সদস্য রাশেদ খান মেনন, জেলা যুবলীগ নেতা রাশেদুল আলম, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বখতেয়ার সাঈদ ইরান, সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব প্রমুখ। এরপর মন্ত্রী শোক বইতে স্বাক্ষর করে কানায় ভেঙ্গে পড়েন। মন্ত্রী কান্না বিজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে আমাদের যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা কখনো পূরণ হবার মত নয়। তাঁর মৃত্যুতে পুরো দেশ শোকাহত। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে মহিউদ্দিন ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা সাহস পেয়েছি। তিনি এত তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন তা ভাবতেও পারছি না। তিনি ছিলেন, চট্টগ্রামের প্রাণ। মন্ত্রী বলেন, আজীবন মহিউদ্দিন ভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমার সহযোগিতা অব্যহত থাকবে। মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রসঙ্গত: মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাযা ও দাফনের সময় বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন ভারতে অবস্থান করছিলেন।

মতামত...