,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহিউদ্দিন-মনজুরের চরমপত্রের জবাব দিবেন সংবাদ সম্মেলনে মেয়র নাছির

নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বর্ধিত গৃহকর কমাতে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে সময় বেঁধে দিয়েছেন সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। সোমবার রাতে ১৪ দলের এক বৈঠক থেকে মেয়র নাছিরকে এই চরমপত্র দেন মহিউদ্দিন; এই বৈঠকে সাবেক আরেক মেয়র এম মনজুর আলমও ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার সকালে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মেয়র নাছির।

বিএনপির মেয়র মনজুরের সঙ্গে বসে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিনের দলের নগর সাধারণ সম্পাদক নাছিরকে চরমপত্র দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

এদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (সিসিসি) গৃহকর বাড়ানো নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা। কিছুদিন আগে নগর আওয়ামী লীগ ও সাবেক কাউন্সিলর ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারেও এসব বিষয়ে বিবৃতি ও চিঠি দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

সাবেক মেয়র মনজুর আলমও গৃহকরের বিষয়ে নমনীয় হওয়ার বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে। তবে গৃহকরের এক মাসের আল্টিমেটাম শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

মঙ্গলবার মেয়ের নবম মৃত্যু বার্ষিকীতে নিজ বাসায় মেজবানের আয়োজন করেন মহিউদ্দিন। বাসায় সাংবাদিকদের দাওয়াত দিয়ে বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বললেও কিছুটা চুপ নিলেন তিনি।

মহিউদ্দিন চৌধুরী তিনি বলেন, সোমবার ১৪ দলের সভা করেছি। সেখানে এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়েছি। দেখি কী হয়! তারপর একটা কিছু করব। তিনি বলেন, গৃহকর নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের বৈঠকের বিষয়ে কিছুই জানি না।

কে বৈঠক ডেকেছেন? কারা বৈঠক করবেন? আমাকে-তো কিছুই জানানো হয়নি। আমি বৈঠকের বিষয়ে কিছু জানি না।

টুম্পার বিষয়ে মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, তার নামে দুইটা স্কলারশিপ চালু আছে। আর কিছু করিনি। বুড়ো হয়ে গেছি। বাপ হিসেবে মেয়ের নামে মেজবানের আয়োজন করেছি। ছয়টা গরু কেটেছি। এর বেশি আর কি করতে পারব। আমি তো বুড়ো বাপ।

চট্টগ্রাম কলেজ-মহসিন কলেজের পরিস্থিতি নিয়ে মহিউদ্দিন বলেন, গুণ্ডাপাণ্ডা সব ছাত্রলীগ হয়ে গেছে। খালি মারামারি করে। ওরা ভেবেছে আমি বুড়ো হয়ে গেছি। সেজন্য আমাকে গুঁতা দিচ্ছে।

অপরদিকে,  সোমবার রাতে নিজের চশমা হিলের বাসায় ১৪ দলের এক সভায় মহিউদ্দিন বলেন, গৃহকর নিয়ে গণঅসন্তোষ থাকলেও মেয়রের ভূমিকা এখনও ‘আক্রমণাত্মক’। এক মাসের মধ্যে বর্ধিত গৃহকর প্রত্যাহার না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য মেয়রকে দায়ী থাকতে হবে।”

ওই বৈঠকে থাকার বিষয়ে মনজুর বলেন, “আমি তো উনার (মহিউদ্দিন) বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম।তখন ১৪ দলের সভা শেষ পর্যায়ে ছিল। আমাকে বসতে বলায় আমি বসেছিলাম। সেই সময়ই ছবি তোলা হয়।বি এন আর, ১৮ অক্টোবর ২০১৭।

মতামত...