,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালীতে প্যারাবণ কেটে চিংড়ি ঘের বনকর্মীদের ২শর বিরুদ্ধে মামলা

আবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার প্রতিনিধি,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ  কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাংগা এলাকায় সরকারী প্যারাবণ কেটে চিংড়ী ঘের করার চেষ্টা ও বনকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় মহেশখালী থানায় যুবলীগ-ছাত্রদল নেতাসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বন বিভাগ। ১৫ জুন রাত্রে মামলাটি দায়ের করেন ঘটিভাংগা বিট কর্মকর্তা বিপ্লব হোসেন।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুন সকালে উপকুলীয় বনবিভাগের ঘটিভাংগা বিটের আওতাধীন (বিএস ৩৩৮১ দাগ সংলগ্ন ভরাট চরভুমি) বড় মহেশখালীর হাজী মোস্তাক আহমদের পুত্র ও জেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু চিংড়ী ঘের করার জন্য মাটি কেটে রিং বাধঁ দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে ৫ একর বনভুমির ৫ হাজার ৫ হাজার গাছ কর্তন, মাটি খেটে খাই খন্দক করে মৃত্তিকার ভৌগলিক অবয়ব বনষ্ট ও পরিবেশ এবং প্রতিবেশ বিনষ্টের পাশাপাশি মৎস্য ও জলপ্রাণীর আবাসস্থল ও বংশ বিস্তারের ক্ষতিসাধন করে। যার ফলে ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবী করেন।
এছাড়াও এ সময় বনকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে বিট কর্মকর্তা বিপ্লব হোসেন ও বনকর্মী হামিদুর রহমানকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে জখম করে। এ সময় বনকর্মীদের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা ১৬ রাউন্ড ফাকাাঁ গুলি বর্ষন করে।
মামলার আসামীরা হচ্ছে ১)বড় মহেশখালীর হাজী মোস্তাক আহমদের পুত্র ও জেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সাজেদুল করিম, ২) তার ভাই মহেশখালী উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল করিম জয়,৩)শহিদুল্লাহ-১,৪)রাহমত উল্লাহ,৫)মোহাম্মদ উল্লাহ,৬)এরশাদ উল্লাহ মুন্না, ৭) আনছার উল্লহ, ৮) সেলিম উল্লাহ ৯) নবীর হোসেন, ১০) শহিদুল্লাহ-২, ১১)নুরুল হাসেন ,১২) আনছার উল্লাহ-২, ১৩) নেছার আহমদ, ১৪)জাফর আলম, ১৫) নুরুল কবিরসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ জন কে আসামী করা হয়েছে।

আসামীরা সকলে বড় মহেশখালীর জাগিরা ঘোনা, মগরিয়াকাটা এলাকার বাসিন্দা। এদিকে চিংড়ী ঘের তৈরীর ইজরাদার পক্ষ হাজী মোস্তক আহমদ গং দাবী করছেন, তারা যথানিয়ম মেনে জমি ইজারা নিয়ে কাজ করছেন।বন বিভাগ দাবীকৃত টাকা না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এছাড়াও তাদের জমিতে হয়রানী না করতে উচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ আদেশ থাকার পর পরও বাধা দিচ্ছে।
গোরকঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ,বনকমীবনবিভাগ কারো ইজারাকৃত বা আদালতের বিধি নিষেধ আছে এমন জমিতে অভিযান করেনি। অভিযান করেছে ইজারা বিহীন সরকারী প্যারাবন কেটে চিংড়ী ঘের তৈরী চেষ্টাকালে সরকারী বনভুমি দখল মুক্ত করেছে। এ সময় বনকর্মীদের উপর হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়য়ে থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
এব্যাপরে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, সরকারী প্যারাবনের গাছ, মাটি কেটে রিং বাধঁ ও বনকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

 

মতামত...