,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালীতে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড!

aআবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার প্রতিনিধি,বিডিনিউজ রিভিউজঃ মহেশখালীতে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি তাদেরকে পরিকল্পিত ভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে এ নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। ছেলের অভিবাকরা দাবী করছেন পরকিয়া প্রেমের জের ধরে মেয়ের আতœীয়স্বজনরা তাদেরকে পরিকল্পিত খুন করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। অরদিকে মেয়ে পক্ষের অভিবাকরা দাবী করছেন প্রেমিক যুগল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন । ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে। নিহতরা হলেন,উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়া এলাকার অলি আহমদের কন্যা ও প্রবাসী ফরিদুল আলমের স্ত্রী শারমিন আকতার (৩০) এবং তার প্রেমিক একই এলাকার মৃত বাচা মিয়ার পুত্র মো. ইলিয়াছ প্রকাশ কালাচান (২০)।

a1ঘটনার বিবরণ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, বিগত ১২ বছর আগে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়া এলাকার ইউসুফ জালালের পুত্র ফরিদুল আলমের সাথে পাশ্ববর্তী নবাব মিয়ার মেয়ে শারমিন আকতারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দু’টি ছেলে মেয়ে রয়েছে। জীবিকার তাগিদে র্দীঘ আট বছর আগে সৌদী আরবে পাড়ি জমায় স্বামী ফরিদুল আলম। এর মধ্যে স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে বছর তিনেক আগে শারমিন আকতার তাদের বাড়ির পাশ্ববর্তী বাচাঁ মিয়ার পুত্র যুবক মো. ইলিয়াছের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে। বিষয়টি শারমিনের স্বামীসহ তাদের পরিবারে জানাজানি হয়ে যায়। এই নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে। এদিকে স্বামী দেশে আসার আগাম সংবাদ পেয়ে প্রেমিক মো. ইলিয়াছকে বিয়ে করে করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে শারমিনা। এই জন্য সে প্রেমিককে চাপ দেয়। এদিকে ছেলের অভিবাকরা বলছেন,ঘটনার দিন রাত্রে শারমিন আকতার তার প্রেমিক মো. ইলিয়াছকে জরুরী কথা আছে বলে তাদের বাড়িতে ঢেকে নিয়ে আসে । রাত্রে এই খবর জানতে পেরে শারমিন আকতারের ভাই বাদশা মোট অংকের বিনিময়ে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বুধবার রাত্রে প্রেমিক যুগলকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান শারমিন আকতার ও মো. ইলিয়াছ প্রকাশ কালাচান। পরে শারমিন আকতারের অভিবাকরা প্রেমিক যুগল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে এলাকায় প্রচার করে বলে জানান নিহত ইলিয়াছ প্রকাশ কালাচানের স্বজনরা ।

এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে মহেশখালী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। বর্তমানে নিহতদের লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

এব্যাপারে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছেন। তবে প্রেমিক যুগলদ্বয় আত্মহত্যা করেছে নাকি তাদের পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে তা ময়না তদন্তের রির্পোট না পাওয়া পর্যন্ত সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না বলে তিনি জানান।

মতামত...