,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালীর অরক্ষিত উপকূলে বেড়িবাঁধ চায়

gurni1মহেশখালী সংবাদদাতা, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ কক্সবাজার, মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ও মাতারবাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেন   ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া । সেখানেও তিনি ত্রাণ বিতরণ করেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে ক্ষতিগ্রস্তরা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে দাবি তোলেন, ‘ত্রাণ নয়, বর্ষার আগেই যেন ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধের মেরামত হয়।’

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া তাদের বলেন, ‘উপকূলের মানুষ অসীম সাহসী। দুর্যোগ বিপদে লড়াই করে তারা টিকে থাকে। তারা ত্রাণ চায় না, তারা চায় ন্যায্য অধিকার।’ অরক্ষিত উপকূল রক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ অতি জরুরি স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে। প্রয়োজনে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করে সভার আয়োজন করা হবে।’

ধলাঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে তার ইউনিয়নে সর্বাধিক লবণ ও চিংড়িঘের ক্ষতি হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে গ্রামীণ সড়ক। মন্ত্রী মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য ৫০ লাখ টাকা জরুরিভাবে বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ত্রাণমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত সভায় বিভিন্ন বক্তারা দাবি জানান, এই মুহূর্তে উপকূলীয় এলাকায় জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন বেড়িবাঁধ। সভায় কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আবদুর রহমান বদি বলেন, ‘প্রতিবছর বাঁধ মেরামতের নামে বর্ষার আগে কিছু বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত এই অর্থ চলে যায় কিছু কর্মকর্তার পকেটে।’ তিনি বলেন, ‘যেখানে বাঁধই হয়নি। সেখানে সংস্কার মেরামতের নামে বরাদ্দ কেন?’

কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্তরা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরলেও তারা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটচ্ছেন। কুতুবদিয়ায় অন্তত ১৩ হাজার পরিবার গৃহহারা হয়েছে। নৌবাহিনীর সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের মধ্যে শুকনো খাবার, চাল ও কিছু নগদ অর্থ বিতরণ করা হলেও বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিদিন জোয়ারে তলিয়ে যাচ্ছে তাদের বসতভিটা।

মতামত...