,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালীর পাহাড়ী এলাকা এখন সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য!

আবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ মহেশখালীসহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানের আইনর্শৃংখলাবাহিনীর তালিকাভুক্ত মোষ্ট ওয়ান্টেড় র্শীষ সন্ত্রাসী,খুনি,ডাকাত সর্দার ও একাধিক মামলার পলাতক আসামীদের এখন নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও অভায়ারণ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে উপকুলীয় দ্বীপ মহেশখালীর বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায়। এই দ্বীপটির চারপাশে সাগর বেষ্টিত এবং এক তৃতীংশ ভুমি পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় সন্ত্রাসীরা তাদের বিভিন্ন রকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আইনর্শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা আসার আগেই সহজেই গা-ঢাকা দিতে পারায় মূলত সন্ত্রাসীরা তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজির পাড়ার গহীণ পাহাড়ী এলাকায় বেচে নেওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।
এলাকাবাসি ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রকাশ,উপজেলার বড় মহেশখালী, কুতুবজোম, শাপলাপুর, কালারমারছড়া, সোনাদিয়া,ধলঘাটা ও মাতারবাড়ি ইউনিয়নসহ জেলার বিভিন্ন জায়গার মোষ্ট ওয়ান্টেড় র্শীষ সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়ে হোয়ানকের কালাগাজির পাড়ার গহীণ পাহাড়ী এলাকায় তাদের আস্তানা তৈরী করে হত্যা,রাহাজানি,র্ধষণ,সড়ক ডাকাতি,নৌ-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। আর এসব সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন ভাবে আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহায়তা করে আসছে সমাজের মুখোশধারী কিছু জনপ্রনিধিরা। আর ওসব মুখোশধারী জনপ্রনিধির মাধ্যমে পুলিশ ও র‌্যাব আসার আগাম সংবাদ পেয়ে উক্ত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ড ঘটিয়ে আইনর্শৃংখলাবাহিনীর সদস্যদের আসার আগেই নির্ভিগ্নে ও আনোয়াশে পাহাড়ে গা-ঢ়াকা দেয়। পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা এসব র্শীষ সন্ত্রাসী ও খুনিদের গ্রেফতারের জন্য একাধিক অভিযান পরিচালনা করেও তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে উক্ত সন্ত্রাসী গুপের হাতে জিম্মী উপজেলার দু’লক্ষাধিক জনসাধারণ ও নিরহ পথচারীরা।

জানা যায়,মহেশখালী থানার এস,আই পরেশ কুমার কারবারি,আড়াই বছরের শিশু জান্নাতুল মাওয়া,গৃহবধু কালা খাতুন,যুবলীগ নেতা রাহমত উল্লাহ হত্যামামলাসহ প্রায় দেড়ড়জন মামলার পলাতক আসামী প্রায় দুই শতাধিক মোষ্ট ওয়ান্টেড় র্শীষ সন্ত্রাসী,খুনি ও একাধিক মামলার পলাতক আসামীরা জড়ো হয়ে উপজেলার হোয়ানকের কালাগাজির পাড়ার গহীণ পাহাড়ী এলাকায় আস্তানা তৈরী করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক ডাকাতি,গভীর বঙ্গোপসাগরে নৌ-ডাকাতিসহ প্রতিদিন বিভিন্ন পান ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের নিকট হতে দৈনিক ৫০ হাজার টাকা চাদাঁ আদায় করে আসছে।

ওই সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে যোগ দিয়েছে সোনাদিয়ার আওয়ামীলীগ নেতা নাগু মেম্বার হত্যা মামলার আসামি ও আওয়ামীলীগ নেতা ওসমান গণি হত্যা মামলার আসামী ও গোলাম আযমের দেহরক্ষি আক্তার হামিদ বাহিনী ও তার ভাই শিবির ক্যাডার হোয়ানক কেরুনতলী এলাকার অপর ৪ খুনের এনাম ও শাহিন বাহিনীর প্রায় শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। এ বাহিনী যোগ দেয়ার পর থেকে তারা আরো হিং¯্র হয়ে উঠেছে। এই অস্ত্রধারী ভয়ংকর সন্ত্রাসী গ্রুপটি হোয়ানক কালাগাজীর পাড়ার পাহাড়ী আস্তানা থেকেই মুলত নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রন করছে । এখন এ যৌথ বাহিনীর সন্ত্রাসীরা গনহারে চালাচেছ চাদাঁবাজী অপহরন ও মুক্তিপন ডাকাতি জমিদখল সহ হত্যা,রাহাজানি,র্ধষণ,সড়ক ডাকাতি,নৌ-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। এই বাহিনী প্রতিদিন বিভিন্ন পথচারী ও লোকজনকে ধরে নিয়ে আদায় করছে লাখ লাখ টাকার মুক্তিপন। তাদের দাবী কৃত চাদাঁ ও মুক্তিপন দিতে না পারলে তাদের উপর চালানো হয় চরম নির্যাতন।ঁ গুড়িয়ে দেয়া হয় তাদের বাড়ী ঘর। এলাকা ছাড়া করা হয় তাদের। সন্ধ্যা হলেই অলি গলিতে চলে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের মহড়া। তাদের ভয়ে চরম আতংকের মধ্যে দিন যাপন করছে উপজেলার দু’ লক্ষাধিক জনসাধারণ ও নিরহ পথচারীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসি জানান,ওই সন্ত্রাসী বাহিনী চাদাঁর দাবীতে প্রতিদিন নিরীহ মানুষ কে তাদের আস্তানায় ধরে নিয়ে চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। এমন নির্যাতন দেখে আত্বীয় স্বজনরা তাদের দাবীর টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে বাধ্য হয়। এভাবে আদায় করছে লাখ লাখ টাকার মুক্তিপন। এখানে যারা আছে তাদেরকে তাদের দাবী মতো চাদাঁ দিয়ে থাকতে হয়। এর বিরুদ্ধে মানুষ কোথাও কোন প্রতিকার পায়না।প্রতিকার চাইতে গিয়ে উল্টো নানা ঝট ঝামেলায় পড়তে হয়। অপরদিকে ওই সন্ত্রাসী গ্রুপের জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কোন বিচার আচার চলে না। সন্ত্রাসীদের দালাল শ্রেনির কিছু লোকজন বিচারের নামে জোর পুর্বক রায় চাপিয়ে দিয়ে জরিমানা করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচেছ। তা প্রকাশ্যে চললেও বন্ধের কোন ব্যবস্থা নেই। সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের মহড়ার কাছে এখানকার মানুষ এক প্রকার জীম্মি। চরম অসহায় হয়ে পড়েছে এখানকার হাজার হাজার মানুষ।

আইনর্শৃংখলাবাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানা গুলোতে চিরুনী অভিযান পরিচালনা করেলে বিভিন্ন ধরণের বিপুল পরিমান অত্য্ধাুনিক দেশী-বিদেশী আগ্নেআস্ত্র ও গোলাবারুদসহ উক্ত মোষ্ট ওয়ান্টেড় র্শীষ সন্ত্রীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।
এব্যাপারে উপজেলাবাসি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত মোষ্ট ওয়ান্টেড় র্শীষ সন্ত্রীদের গ্রেফতারের দাবী জানান।

মতামত...