,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালী জেটিঘাটে যাত্রীদের অমানবিক দুর্ভোগ

মহেশখালী (কক্সবাজার) সংবাদদাতা,২ জানুয়ারী, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: কক্সবাজারের মহেশখালী জেটিঘাট যাত্রী দুর্ভোগের আরেক নাম। দ্বীপ উপজেলার এই ঘাটে যেন থামছে না যাত্রীদের ভোগান্তি আর হয়রানি। শুধু সাধারণ যাত্রী নয় এই জেটিঘাটে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে পর্যটকদেরও। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলে এলেও সেদিকে খেয়াল নেই ইজারাদার কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের। ফলে অসহায়ত্ব নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রী ও পর্যটকদের। নদীর নাব্য হ্রাস পাওয়ায় ভাটার সময় হাঁটু পরিমাণ কাদা পানি পাড়ি দিয়ে নৌকায় উঠতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে নানা সমস্যায়।

শুধু দুর্ভোগ কিংবা হয়রানি নয় এই জেটিঘাটে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ-নাব্য সংকট হয়ে বর্তমানে যে মহেশখালী জেটিঘাটের সংকটাপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার কোনো উপায় নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান আদিনাথ মন্দির দর্শন ও সেখানকার বৌদ্ধ পল্লী দেখতে প্রতিনিয়তই পর্যটকরা যাতায়াত করে থাকে মহেশখালী জেটিঘাট দিয়ে। বছরের পর বছর ধরে টাকা আদায় করে গেলেও সেই জেটিঘাটের অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কারে কর্তৃপক্ষ চরম উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে।

যাত্রী ছৈয়দ নুর ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘ভাটার সময় হাঁটু পরিমাণ কাঁদা ও পানি পার হয়ে বোটে উঠতে অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করতে হয়। রোগী, বৃদ্ধা ও মহিলাদের রীতিমত যুদ্ধ করতে হয়।’

যাত্রী হাসেম জানান, কর্তৃপক্ষের যে উদাসীনতা তা তাদের একধরনের প্রতারণার ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ভাটার দোহাই দিয়ে ডিঙি নৌকায় বহনের নাম করে প্রতি যাত্রী থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও দীর্ঘ এই জেটিঘাটে যাত্রীদের জন্য নেই কোনো যাত্রী ছাউনি, পাবলিক টয়লেট। সন্ধ্যার পর পরেই এই জেটিঘাটে সৃষ্টি হয় ভুতুড়ে পরিবেশ।

স্থানীয় ও সচেতন মহলের মতে-জেটিঘাটের এই দূরাবস্থার কারণে মহেশখালীর আদিনাথ, রাখাইন পল্লীতে আসা পর্যটক হ্রাস পাবে আর এর বিরূপ প্রভাব পড়বে এখানকার পর্যটন শিল্পের উপর।

জানা গেছে, কক্সবাজার-মহেশখালী নৌ-রুটের জেটিঘাট পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন আর দেখভালের দায়িত্ব মহেশখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। এ বিষয়ে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়ার সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মতামত...