,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালী বাসির করুণ ভোগান্তি শেষ হবে কবে?

mahesh kali kadaনাছির মীর, নিজস্ব প্রতিবেদক,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ মহেশখালীর বসবাসরত মানুষ এই চিত্র দেখে আপনার অবাক হওয়ার কোন কারণ নেই! এভাবেই হাটু সমান কাদা মাড়িয়েই প্রতি দিন লক্ষ লক্ষ  মহেশখালী বাসি আসা যাওয়া করছে। এটিই কঠিন বাস্তবতা। নারি, শিশু, আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলেই এই কাদার সাথে মিতালী করেই চলতে হয়।

এই দ্বীপাঞ্চলের মানুষ গুলোকে প্রতিদিন  মহেশখালী থেকে কক্সবাজার যাতায়ত করতে এই হাটু সমান কাদা মাড়িয়েই যেতে হবে। না গিয়ে কোন উপায় নেই! মামলা ওয়ারেন্ট, চাকরি তাগিদ কিংবা ব্যবসায় লোকসান অথবা অসুস্থ রুগীর সেবা কে করবে? এই রকম হাজারো কারনে হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত মরন ঝুকি মাথায় নিয়ে বা কাদা মাটিতে হাটতে হবে তা জেনেও তাকে কক্সবাজার যেতে হচ্ছে।এত কিছুর পরেও maheshkali kada1মহেশখালীর প্রশাসন নিরব।আমাদের মহেশখালীর রাজনৈতিক ব্যক্তিরা চাইলে এর পরিত্রাণ পাব।তার পাশাপাশি ঘাঠে অবৈধ টোল আদায়, স্পিড বোট ড্রাইভারদের কটু কথা,ছোট শিশুদের কাছ থেকে ভাড়া আদায়,এমন কোন অনিয়ম নেই যা মহেশখালী ঘাঠে হয় না।এই পাহাড়ী দ্বীপে হাজার হাজার পর্যটক আসা যাওয়া করে,তারাও এই প্রতিকুলতা মাথায় নিয়ে আাসে।মহেশখালীর চিংড়ি, লবন,মিষ্টি পান জগৎ বিখ্যাত, যে পন্যগুলোর কারনে মহেশখালী জগৎ বিখ্যাত, সেই মহেশখালী এই করুন দূর্দশা।আমি সর্বশেষে মহেশখালীর প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের কাছে আকুল আবেদন এই ভূক্তভুগি মানুষের কষ্ট লাগব করার। মহেশখালী টু কক্সবাজার একটি ফেরীিঘাট হলে সাধারন মানুষের ভোগান্তি একটু হলে ও কমবে। এদিকে পর্যটন মৌসুমে পর্যটক আসছেনা মহেশখালীতে ঘাটের চিত্র দেখে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে । এটাকি মহেশখালীর নেতাদের চোখে পড়েনা।

মতামত...