,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মহেশখালের বাঁধের কারণে বন্দর এলাকা প্লাবিত

aবাবুল হোসেন বাবলা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ চট্টগ্রাম মহানগরীর ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ড ৩ রা জুলাই প্রবল জোয়ার বর্ষার পানিতে প্লাবিত হলো,এ প্রসঙ্গে গত ২১ শে মের প্লাবনকে এমপি লতিফ বলেছিলেন, এটা রোয়ানোর প্রভাবে হয়েছে, কিন্তু আজ রোয়ানো টোয়ানো কিছুই নেই,এই প্রসঙ্গে আমার এক বন্ধু বলল, এমপি সাহেব হয়ত বলবেন, গত বারের টা রোয়ানোর প্রভাবে হলেও এবার প্লাবন হয়েছে রমজান ও ঈদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে,

তাহলে মহেশখালের মরণ বাঁধের উত্তরে এমপি সাহেবের বাড়ির উঠোন একেবারে শুকনা হলেও দক্ষিণে মহা প্লাবন কেন? দক্ষিণের লক্ষ লক্ষ মানুষের বেডরুম পানির তলে কেন? এখন কিসের প্রভাব? জবাব দেবেন কি এমপি সাহেব?

এলাকার  সাবেক কাউন্সিলর হাজ্বী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন,খালের মাঝে বাধঁ দিয়ে পানির প্লাবন প্রতিরোধ সম্ভব নহে ,এর জন্য বাস্বব সম্মত পদক্ষেপ না নিলে বন্দর বাসীকে ডুবে মরা বা এলাকা ছেড়ে যাওয়া ছাড়া গতি নাই।

এলাকার যুব সমাজের সংগঠক আবুল কালাম বলেন,বাচার জন্য কোন মতে এই দূভোগ নিয়ে বেচেঁ থাকতেই নোংরা পানি আর ময়লা ভাসা জলের সেচন করে রোজার মধ্যেই দিন-যাপন করছি । একে বাচাঁ বলবেন কিনা ?

মোরশেদ আলম বলেন, বাধেঁর জন্য যদি একটি জনবহুল এলাকাএভাবে দিনের পর দিন ডুবে থাকে সরকারের এম.পি,ডিসি,চসিক মেয়র ওসংষ্লিস্ট কর্তাগণ নাকে তৈল দিয়ে ঘুমান তাহলে সামনে ঈদ করাসহ নিত্য চলাচলে কষ্টের অন্ত থাকবে না ।

অধিকাংশ এলাকাবাসী জোর প্রতিবাদ স্বরে বলেন,এর দ্রুতপ্রতিকার না পেলে ঈদের পরে দূর্বার আন্দোলনের ডাক দিবেন বলেন জানান।

মতামত...