,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মানিকছড়িতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরতদের দ্রুত সরে যেতে প্রশাসনের মাইকিং

আবদুল মান্নান,মানিকছড়ি(খাগড়াছড়ি,১৬ জুন, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: মানিকছড়িতে পাহাড় কেটে স্থাপনা তৈরি নতুন দৃশ্য নয়! প্রভাবশালীরা তৃণমূল ছেড়ে সদরে এসে নিচু ভূমি ও পাহাড় সংলগ্ন ঢালু জমি কিনে অবাধে পাহাড় কেটে ঘর-বাড়ী বানাচ্ছে দেদারসে। পাহাড়েরমূখে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস জেনে ও তারা অব্যাহত রেখেছে বসতিগড়া। বাজারস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানের পাহাড়ের দু’পাশসহ আশে-পাশের বিভিন্ন পাহাড় দখল করে অবাধে ঘর-বাড়ী তৈরির ফলে এখন একাধিক টিলা হুমকিরমূখে পড়েছে! যে কোন মুর্হূত্বে এখানে প্রাণহানির আশংকা রয়েছে। ফলে শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন এসব ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং শুরু করেছে।

সরজমিনে দেখা েেগছে, উপজেলার সদরকে ঘিরে গণবসতির প্রতিযোগিতা বাড়ছে। গত ১ যুগে উপজেলা সদরের নাথপাড়া, হাজীপাড়া, টিএন্ডটি টিলা,অবকাশ, রাজপাড়া, মুসলিমপাড়া, মাস্টার পাড়া,মহামুনি পাড়া,তালতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় সমতল ভূমি ভরাট করে হাজারো বসতি গড়ে উঠেছে।
সম্প্রতি মানিকছড়ি বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের কবরস্থানের টিলার দু’পাশে পাহাড় ঘেঁষে অসংখ্য ঘর-বাড়ী তৈরি হয়েছে। আর এসব স্থাপনায় নিন্ম আয়ের লোকজনই বেশি ভাড়া থাকছে। জুন মাসের প্রথম থেকে ভারী বর্ষণে উক্ত টিলার মাটি ভেঙ্গে পড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে অন্তত ১০টি ঘর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে! গত ১৬ জুন সকালে সরজমিন গিয়ে কবরস্থানের টিলার করুণ অবস্থা দেখে দখল এবং পাহাড় কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে আশে-পাশে কেউই মূখ খুলে কিছু বলছে না! সবাই বলছে কবরস্থানের টিলাটিকে দখল করতে একটি প্রভাবশালী মহল মোটা অংকের টাকা দিয়ে দখল কিনে তাতে মাটি কেটে স্থাপনা অব্যাহত রাখায় আজ পুরো টিলাটি হুমকিরমূখে পড়েছে! বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন সাধারণ মুসল্লি ও সচেতন ব্যক্তিবর্গরা। এদিকে মুসলিমপাড়ার কয়েকটি পাহাড়ের ঢালু বসবাসরত অর্ধশত পরিবার হুমকিরমূখে রয়েছে। ফলে উপজেলাট প্রশাসন আজ ১৬ জুন সকাল থেকে এসব ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালুতে বসবাসকারীদেরকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং শুরু করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী পাহাড়ের ঢালুতে বসবাসকারীদেরকে দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে আনার উদ্যোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মতামত...