,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মানিকছড়িতে পাড়ায় মহল্লায় চলছে প্রভাবশালীদের মহড়া ভোটারদের মাঝে আতংক

up2016আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ খাগড়াছড়ি, গেল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পর প্রচারণা শেষ। আজ শুক্রবার দিন পেরিয়ে রাত পোহালেই নির্বাচন। গ্রামে-গঞ্জে চলছে প্রভাবশালী প্রার্থীদের মহড়া! ফলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে নেমে এসেছে আতংক।
মানিকছড়ি উপজেলার চারটি ইউপি’র নির্বাচনকে ঘিরে গত ৩ সপ্তাহ ব্যাপি চলছিল প্রচার-প্রচারণা। সরকার দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি বিরোধী দল কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ও প্রচারণায় অংশ নিয়েছে কৌশলে। চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অঘটন সৃষ্টি না করলেও সাধারণ ও সংরক্ষিত প্রার্থীদের সমর্থকরা সর্বত্র প্রভাব খাটিয়ে মাঠে নেমেছে। বিশেষ করে একজন কর্মী যখন চেয়ারম্যান, সাধারণ ও সংরক্ষিত প্রার্থীর হয়ে প্রচারণায় নামছে সেখানেই প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। ফলে বিরোধী দল সমর্থীত কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিভিন্ন হুমকি-ধমকি মোকাবেলা করে সুকৌশলে প্রচারণা শেষ করেছে। প্রচারণার শেষ মূর্হুত্বে গত বৃহস্পতিবার বিকালে ৩ নং যোগ্যাছোলা ইউনিয়নের নির্বাচনে আদালতের স্থগিতাদেশে সেখানে নির্বাচন বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে মানিকছড়ির ১ নং ইউপি, ২ নং বাটনাতলী ও ৪ নং তিনটহরী ইউপি’র ৮৫ জন প্রার্থী ২১ এপ্রিল রাত ৮ পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে দেদারসে। নিয়মানুযায়ী নির্বাচনের ৪৮ ঘন্টার পূর্বে প্রচারণা বন্ধ হওয়ার বিধান থাকায় এখন চলছে প্রভাবশালীদের শক্তির মহড়া। সর্বত্রই সরকার দলীয় সাধারণ ও সংরক্ষিত প্রার্থীরা নির্বাচনী আইন অমান্য করে গ্রামে-গঞ্জে মহড়া অব্যাহত রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দায় এড়াতে পুলিশ তা অস্বীকার করছে। সরকার দলীয় প্রার্থীদের প্রভাব-আধিপত্যের কারণে প্রশাসন ২৭টি কেন্দ্রের (স্থগিত ইউপি ব্যতিত) মধ্যে দশের অধিক কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় রেখেছেন। এছাড়া সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে পরিবারের চাকুরীজীবি সদস্যরা ছুঁটি নিয়ে বাড়ীতে এসে অবাধে প্রচারণা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে! অবাধে আইন লংঘন হলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। কারণ প্রতিপক্ষরা সুনিদিষ্টভাবে অভিযোগ না করায় আইন লংঘনকারীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে গচ্ছাবিল, মানিকছড়ি গুচ্ছগ্রাম, রাজপাড়া, এয়াতলংপাড়া, একসত্যাপাড়া, চেঙ্গুছড়া, ডাইনছড়ি, বাটনাতলী ঢাকাইয়া শিবির, ছদরখীল, বড়বিল এলাকায় প্রভাবশালীদের মহড়ায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। এভাবে মহড়া চলতে থাকলে এসব এলাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কমবে, বাড়বে সহিংষতা এমনই আশংকা করছেন বিরোধী দল সমর্থীত প্রার্থীরা।
এদিকে প্রশাসন প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১৭ জন আনসার ভিডিপি, ৫জন পুলিশ দেয়া হয়েছে। বিকাল দু’টার পর পর প্রিসাইডিং অফিসারগণ ভোটের সরঞ্জামাদি নিয়ে কেন্দ্রে যাবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যুথিকা সরকার বলেন, কোন প্রার্থী কিংবা ভোটারকে হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ আসেনি,তবে প্রার্থীরা মুঠোফোনে এ ধরণের অভিযোগ করায় ওসি’কে বিষয়গুলো দেখতে বলা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে কেন্দ্রগুলোকে ঢেকে ফেলা হবে। কেউ আইন অমান্য করলে নির্বাচনী আইনে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে ৪জন ম্যাজিট্রেটসহ বিজিবি ও পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

মতামত...