,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মার্জিন ঋণ সমন্বয়ের সময় বাড়ল এক বছর

ঢাকা ৩০ নভেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ): যেসব বিনিয়োগকারীর মোট মূলধন বা ইক্যুইটি মার্জিন ঋণের ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে তারা শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন। এ সংক্রান্ত মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুলস ৩(৫) এর কার্যকারিতা আরো এক বছর স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সোমবার অনুষ্ঠিত কমিশনের ৫৬০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানানো হয়েছে, আইনটির কার্যকারিতা আগামী ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।  মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুলস ৩ (৫) ধারায় বলা হয়েছে, যখনই ইক্যুইটি ক্লায়েন্টের মার্জিন অ্যাকাউন্ট ডেবিট ব্যালেন্সের ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে যায় তখন হাউজগুলো ঋণ সমন্বয়ের জন্য ক্লায়েন্টকে অবহিত করবে। যাতে কোনোভাবেই ইক্যুইটি মার্জিন ঋণের ১৫০ শতাংশের কম না হয়। হাউজ কর্তৃপক্ষের ক্লায়েন্টের প্রতি এ সংক্রান্ত চিঠির ৩ দিনের মধ্যে নগদ অর্থ কিংবা মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ দিয়ে অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয় করবে। যে পর্যন্ত ইক্যুইটি সন্তোষজনক অবস্থায় না আসে সে পর্যন্ত ক্লায়েন্টের লেনদেন বন্ধ থাকবে।  উদাহরণস্বরূপ, কোনো বিনিয়োগকারীর ১০০ টাকা জমা দেওয়ার বিপরীতে আরও ১০০ টাকা মার্জিন লোন সুবিধাসহ মোট মোট ২০০ টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিদ্যমান বাজার দর অনুযায়ী তার শেয়ারগুলোর দাম কমে যাওয়ায় সেগুলো বেচে দেওয়ার পরও হাউজ যদি ওই বিনিয়োগকারী কাছে ৩০০ টাকা পাওনাদার হয় তবে সংশ্লিষ্ট হিসাবধারী বা বিনিয়োগকারী মার্জিন রুল ১৯৯৯ অনুযায়ী শেয়ার বেচতে পারবে না। কিন্তু বিএসইসি আপাতত: এই বিধান স্থগিত করেছে।  উল্লেখ্য, সর্বপ্রথম ২০১৩ সালের ৪ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে মাইনাসে থাকা পোর্টফলিও পুনর্বিন্যাস এবং ১৯৯৯ সালের মার্জিন রুলসের ৩(৫) ধারা স্থগিতের দাবি জানানো হয়। তাই ওই বছরের ৯ এপ্রিল বিএসইসির ৪৭৫তম সভায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ, পুঁজিবাজারের বিদ্যমান অবস্থা বিবেচনা এবং ডিএসইর আবেদনের প্রেক্ষিতে মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুলস ৩(৫) এর কার্যকারিতা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।  পরবর্তীতে ওই সময়সীমা শেষ হলেও পুঁজিবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় এ সুবিধার মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখ থেকে ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে গত ৩১ মার্চ পুঁজিবাজার তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এর মেয়াদ আরও ৬ মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত এই আইন স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এ আইন স্থগিতের সময় আরও ৬ মাস বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত করা হয়। তারপর আরো দুই দফায় (৬ মাস করে) এ আইন স্থগিতের সময় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। এদিকে বর্তমান বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের দিক চিন্তা করে মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর ৩(৫) এর কার্যকারিতা আরো এক বছর বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

bsec_14( বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম )

মতামত...