,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মেডিকেল সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধেই অপারেশ, ১ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৭ সেপ্টেম্বর, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে গিয়ে নগরীর ও আর নিজাম রোডের ‘মেডিকেল সেন্টার’  ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারেই ব্যবহার করা হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ।  জীবন রক্ষাকারী এ সব ওষুধের কোনটার মেয়াদ শেষ হয়েছে ৬ মাস আগে, আবার কোনটার একবছর আগেই শেষ হয়েছে। এসব ওষুধ অপারেশনের কাজে ব্যবহৃার করা হলে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

‘মেডিকেল সেন্টার’  ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে প্যাথলজিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিঅ্যাজেন্ট ব্যবহার এবং ওষুধ সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করার অভিযোগ ছাড়াও সনদবিহীন অনভিজ্ঞ লোক দিয়ে এক্সরে ও অন্যান্য চিকিথসা যন্ত্র চলছিলই।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত মঙ্গলবার অভিযানে এসে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন ক্লিনিকটিকে এক লাখ জরিমানা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন গণমাধ্যমকে বলেন, এসব ওষুধ অপারেশনে ব্যবহার করা হলে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এছাড়া ক্লিনিকটিতে ল্যাবেরটারির পরীক্ষাগারে পরীক্ষানীরিক্ষার কাজে ব্যবহৃত রিঅ্যাজেন্টও মেয়াদোত্তীর্ণ। আমরা সব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও রিঅ্যাজেন্ট জব্দ করি।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র আরও জানায়, ফার্মেসিতে যে ওষুধ সংরক্ষণ করা হচ্ছে তা ২৫ ডিগ্রি সেন্ট্রিগ্রেড তাপমাত্রারর নিচে রাখার নির্দেশনা থাকলেও ওষুধগুলো ৩২ থেকে ৩৩ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা আছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের প্রসিকিউটর ড্রাগ সুপার শফিকুর রহমান জানান, এতে ওষুধের গুনাগুণ নষ্ট হয়ে তা বিষাক্ত হয়ে যাবার সম্ভাবনা থেকে যায়। এভাবে ওষুধ রাখা ড্রাগ আইন ১৯৪০ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এক্সরে এবং রেডিওলজি বিভাগে টেকনিশিয়ান হিসেবে যাকে পাওয়া যায়, তার কোন প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা সনদ নেই। সনদবিহীন অনভিজ্ঞ লোক দিয়ে চলছিল এক্সরের মত স্পর্শকাতর পরীক্ষা। সনদবিহীন লোক দিয়ে রেডিওলজিও চালানো হচ্ছিল।

মতামত...