,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

মেয়রের সাথে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির মতবিনিময়

aনিজস্ব প্রতিবেদক,, বিডিনিউজ রিভিউজঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ নেতৃবৃন্দ ৪ আগষ্ট  বৃহষ্পতিবার দুপুরে, নগর ভবনে মেয়র দপ্তরে মতবিনিময় করেন।মতবিনিময়ে প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, সহ সভাপতি সালাউদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, সাধারন সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, কোষাধ্যক্ষ তাপস বড়–য়া রুমু, সমাজ সেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, গ্রন্থাগার সম্পাদক শওকত ওসমান, ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর সবুজ, নির্বাহী সদস্য শামসুল হক হায়দরী, শহীদ উল আলম ও মোয়াজ্জেমুল হক উপস্থিত ছিলেন। মেয়রের সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম, সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়ে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাব ভবন হস্তান্তর এবং ভবন নির্মাণের ব্যয় পরিশোধের বিষয়ে সিটি মেয়রকে অবহিত করেন। তারা চট্টগ্রামের সার্বিক স্বার্থে গৃহিত মেয়র এর সকল কর্মসূচি ও পরিকল্পনার প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেন। মতবিনিময়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার ভিশন ও পরিকল্পনা বিগত এক বছরের কার্যক্রম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের নিকট তুলে ধরে বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। এ নগরীকে বিশ্বমানের নগরী, নৈসর্গিক নগরী, শিল্প, পর্যটক বান্ধব, ব্যবসা বান্ধব নগরীতে উন্নিত করা গেলে বিনিয়োগ সহ নানা ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতির গতি তরান্বিত হবে। ফলে দেশ ও জাতি অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হবে। মেয়র সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে চট্টগ্রামের স্বার্থের বিষয়টিকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য দেয়ার দেয়ার উপর জোর দেন। তিনি বলেন, নগরীর ৬০ লক্ষ জনগণের সেবার পরিধি বৃদ্ধি, গুনগত সেবা, টেকসই উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন বাস্তবায়নে প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তিনি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, হয়রানি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দীর্ঘ সুত্রিতাকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে যে সময় ব্যয় হয় তা কাম্য নয়। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন তাঁর বিগত ১ বছরের কর্মকান্ড প্রসঙ্গে বলেন, বিলবোর্ড অপসারনের ফলে নৈসর্গিক সৌন্দর্য চট্টগ্রাম ফিরে পেয়েছে।

পরিবেশ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যকর পরিচ্ছন্ন নগরীর বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে রাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু করা হলেও নাগরিকদের পক্ষ থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। ফলে ব্যবহুল ও ঝুকিপূর্ণ কর্মসুচি ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ ও অপসারন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ লক্ষে ১ আগষ্ট থেকে ৭ টি ওয়ার্ডে বিন বিতরণ শুরু করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ এর মধ্যে ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শতভাগ কার্যকর হবে। এছাড়াও ২০১৭ সনের ডিসেম্বর এর মধ্যে নগরীকে সবুজায়ন করা হবে। আগামী ২ বছরের মধ্যে নগরীর অলিগলি সর্বত্র এলইডি লাইটিং করা হবে এবং ত্রিবার্ষিক পরিকল্পনায় নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডের সকল সড়ক ও বাই লেইন শতভাগ পিচঢালা ও ঢালাই রাস্তায় উন্নিত করা হবে। মেয়র মদুনাঘাট থেকে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমী পর্যন্ত বেড়িবাঁধ, বেড়িবাঁধে ৪ লেইনে রাস্তা, বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মান, খালের মুখে স্ল্যুইচ গেইট সহ পাম্প হাউস নির্মান পরিকল্পনাও তুলে ধরেন। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, জাতি সংঘ পার্ক উন্নয়ন ও দৃষ্টি নন্দন পার্ক নির্মাণ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশননের মহৎ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াসে কিছু মিথ্যাচার চালানো সঠিক হয়নি। মেয়র জনস্বার্থের পরিপন্থি কোন কাজ সিটি কর্পোরেশন করতে পারে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন । সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, অনৈতিক, অসুন্দর ও জনস্বার্থের পরিপন্থি কোন কর্মকান্ড সিটি কর্পোরেশন করতে পারে না । আলোচনা ও সমালোচনাকে সহজভাবে নিয়ে ন্যায় নীতি ও সঠিক পথে চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মেয়র।

মতামত...