,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

আওয়ামী লীগে মেয়র পদে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী হলেই বহিষ্কার

পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হলেই দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ‘সর্বোচ্চ শাস্তি বহিষ্কার’ করা হবে বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে  রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

 

পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করার লক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম কামাল প্রমুখ।

 

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘একটি বিষয়ে আমার খুব কৌতূহল হচ্ছে। আওয়ামী লীগ থেকে আমরা যাদের মনোনয়ন দিয়েছি, তারা এখন প্রার্র্থী হিসেবে কাজ করছে। এর বাইরে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার জন্য, আমার মনে হয়- আমাদের দলের প্রার্থীদর চেয়ে মিডিয়ার উৎসাহই বেশী।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমি কয়েক দিন থেকে দেখছি। বিভিন্নভাবে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হচ্ছে। আওয়ামী লীগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে বাধা নেই? আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছে? এই তথ্যগুলো কোথা থেকে আসছে? এত উৎসাহ কেন?’

 

হানিফ বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি, এবার  নির্বাচন হচ্ছে দলীয়ভিত্তিতে। দলীয় প্রধানের স্বাক্ষর করা মনোনয়নপত্র দেওয়া হচ্ছে প্রার্থীদের। এতে দলীয় প্রতীক ব্যবহার হচ্ছে। তাই  এই নির্বাচনে কেউ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে তাকে আমাদের গঠনতন্ত্র অনুসারে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি বহিষ্কার করা হবে।’

 

‘আওয়ামী লীগের যারা দীর্ঘদিনের নেতা-কর্র্মী তারা কেউই চাইবে না, দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত হোক’ এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এই কারণে মনে করি, এই পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী থাকবে না।’

 

 

‘এর মানে এই নয়, এরা বিদ্রোহী হিসেবে, স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করবে। আমার বিশ্বাস, আমাদের নেতা-কর্মীরা সভানেত্রী ও  প্রতি অত্যন্ত অনুগত এ কারণে তারা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত হতে চাইবে না।’

 

১৩ তারিখে প্রার্র্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘সেই কারণে এখন যদি কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে আপনারা (সাংবাদিক) নিশ্চিত থাকতে পারেন, ১৩ তারিখের পরে সারা দেশে যে কয়টি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে, সেখানে একক প্রার্থী থাকবে।’

AL1

সরকার এক তরফাভাবে পৌরসভা নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপির এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিত্রে অপর এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, ‘বিএনপি জানে, তারা বর্তমানে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিরুদ্ধে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে জনগণের কাছ থেকে সাড়া পায়নি। আর জনগণের কাছ থেকে সাড়া না পেয়েই জনগণের ওপর পেট্রোল বোমা হামলা করেছে, গুপ্তহত্যাসহ অনেক অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে। তার প্রমাণ এখনো পাওয়া যাচ্ছে।’

 

হানিফ আরো বলেন, ‘তাই বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণেই হয়তো এই ধরনের কাল্পনিক অভিযোগ উত্থাপন করছে। যাতে নিজেদের দিকে সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের কিছুটা সিমপ্যাথি (সহানুভূতি) বা অনুকম্পা পাওয়া যায়। আমি মনে করি বিএনপির এই সমস্ত অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’

মতামত...