,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

যারা বোমা ফাটিয়ে ইসলাম কায়েম করতে চায় তাদের ধ্বংস অনিবার্য:পীর ছাহেব শাহ্ আহছানুজ্জামান

এম বেলাল উদ্দিন,রাউজান,৯  এপ্রিল, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::ঢাকা নারিন্দা মশুরীখোলা দরবার শরীফের গদিনশীন পীর সাহেব কুতুবে যামান আলহাজ্ব মওলানা শাহ্ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (ম,জি,আ) বলেছেন মুল ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা থেকে এদেশের মানুষ দুরে সরে যাওয়ায় জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন নৈতিক অবক্ষয়ের কারনে প্রতিনিয়তই কিছু মানুষ ইসলামের মুল শিক্ষা থেকে দুরে সরে যাচ্ছে এবং সন্ত্রাস ও উগ্রবাধী জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িত হচ্ছে। তিনি বলেন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দুর করতে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামআতের বানী ও অলিয়েকেরামের শিক্ষা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হবে।তিনি বলেন বর্তমান সরকার জঙ্গি দমনে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা যথাযত নয়। সরকারের উচিত রাসুলে করিম (দ.) যে শিক্ষা তাহার ওয়ারিশগনের মাধ্যমে সারাবিশ্বে কোরআন হাদিসের মাধ্যমে বিশেষ করে হক্কানী আউলিয়ায়ে কেরামের মারফত প্রজন্মের পর প্রজন্মে প্রেরণ করেছেন সে শিক্ষা বর্তমান সমাজের ঘরে ঘরে পৌছানো। আর সরকার সেটি বাস্তবায়ন করতে পারলে এই দেশ সহসা সন্ত্রাস ,উগ্রবাধ ও জঙ্গিবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন বিশ্ব মুসলিমের হাতে নেতৃত্ব আর বেশি দুরে নয়। সংখ্যাগরিষ্ট বাংলাদেশের সুন্নী মুসলমানরা এই দেশ শাসন করবে ইনশাল্লাহ। হযরতে খাজা গরিবে নেওয়াজ হিন্দুস্থানে ৯৫ লক্ষ বিধর্মীকে মুসলমান কিভাবে করলেন? তিনি কি অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন?। তিনি তো ভয় দেখিয়ে মুসলমান বানাননি। তিনি আল্লাহর ভয় দেখিয়ে রুহানী শক্তি দিয়ে সে কাজটি করেছিলেন।তাই তিনি লক্ষ লক্ষ বিধর্মীকে ঈমানদার বানাতে পেরেছেন। তাই এদেশেও যারা জোর করে বোমা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করে ইসলাম কায়েম করতে চাই তাদের ধ্বংস অনিবার্য। তিনি বাংলাদেশের হক্কানী পীর মশায়েখ ও আউলিয়া কেরামের স্বানিদ্ধে গিয়ে এই দেশকে জঙ্গিবাদ মুক্ত করার আহব্বান জানান। তিনি গত ৭ এপ্রিল শুক্রবার রাত ১১টায় চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়া এয়াছিন শাহ্ কলেজ ময়দানে বিশাল সুন্নী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।তরিকত সংগঠন বেতাগী আঞ্জুমানে রহমানিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বেতাগী দরবারের সাজ্জাদানশীন পীরে তরিকত আলহাজ্ব আল্লামা মুহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরাফ শাহ্ (ম,জি,আ)। ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.),ফাতেহা এয়াজদাহুম ও হযরত জিল্লুর রহমান আলী শাহ্ (রহ)’র ৮ম ঈছালে ছওয়াব উপলক্ষে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বিশিষ্ঠ সংগঠক সৈয়্যদ মুহাম্মদ আলী আকবর তৈয়্যবীর পরিচালনায় এতে তকরির করেন অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেজ সোলায়মান আনছারী,আলহাজ্ব আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আল কাদেরী,উপাধ্যক্ষ মুফতি আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আল কাদেরী,আলহাজ্ব আল্লামা ইলিয়াছ নুরী,শাহাজাদা মওলানা মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান (আবু শাহ্),লেখক ও গভেষক এম এ কুদ্দুছ,অধ্যক্ষ আলহাজ্ব সৈয়্যদ আহসান হাবীব প্রমুখ। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবীদ এস এম বাবর,সাংবাদিক এম বেলাল উদ্দিন,এডভোকেট এস এম রেজাউল করিম (বাবর),মওলানা হারনুর রশীদ নক্সবন্দী,মওলানা মঈনুদ্দীন রেজভী,মওলানা জাফর উদ্দিন কামালী,মওলানা ফরিদ উদ্দিন মাইজভান্ডারী,মওলানা ওমর ফারুক আজমি,মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ছফিউল্লাহ,মফিজুল ইসলাম সিকদার,এডভোকেট এস এম রেজাউল করিম (বাবর),আলহাজ্ব মুহাম্মদ শাহজাহান খান,মাস্টার আকতার হোসেন চৌধুরী, মুহাম্মদ খোতবাত মিয়া,আলহাজ্ব মুহাম্মদ দলিলুর রহমান,আলহাজ্ব আবু আহম্মদ সওদাগর,মুহাম্মদ আবদুল কুদ্দুছ,আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলমগীর,মুহাম্মদ জসীম সিকদার,আবুল হাসেম কন্টাক্টর ,মুহাম্মদ বখতেয়ার সওদাগর,হাজী ইদ্রিচ চৌধুরী,মুহাম্মদ মহিউদ্দিন,মুহাম্মদ আবু ছালেহ জাহাঙ্গীর,মুহাম্মদ আরফারত হোসেন,খন্দকার কামরুল আজাদ রুবেল,মুহাম্মদ সাখরিয়া চৌধুরী সাগর,হাফেজ মুহাম্মদ বদরুদ্দোজা জুনাইদ,মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন,মুহাম্মদ বেদার মিস্ত্রি,মওলানা জিলহাজ্ব আত্তারী,মওলানা হাফেজ মহিউদ্দিন,মওলানা শহীদুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। মাহফিল শেষে মিলাদ ক্বিয়াম ও দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করেন হুজুর শাহ্ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান।

মতামত...