,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

রাঙামাটিতে পাহাড় কেটে নির্মাণ হবে চেয়ারম্যানের বাংলো

tree cutingরাঙামাটি সংবাদ দাতা , বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ রাঙামাটি,  রাঙামাটি শহরের সুখীনীল গঞ্জের মিনি বোটানিক্যাল চিরিয়াখানার পূর্ব পাশে পাহাড়ে জেলা পরিষদের বিনোদন পার্ক। ৬ দিন আগে এখানে সবুজ পাহাড় ছিল। পাহাড়ে বৃক্ষ ছিল। বিনোদনের জন্য পার্ক ছিল।
কিন্তু সোমবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়ের ছোট বড় সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্তূপ করে রাখা হয়েছে এসব কাঠের অংশগুলো। ভাঙ্গা হচ্ছে পার্কের শিশুদের জন্য নির্মিত স্লিপারগুলো। মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে অবিরাম চলছে পাহাড় কাটা।
মাটি কাটা যন্ত্রের তত্বাবধায়ক দীপক দাশ (২৭) বলেন, পাহাড়ের উঁচু মাটি কেটে সমান করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সরকারি বাসভবন বানানো হবে। পরিষদের নির্দেশনা মোতাবেক পাহাড় কাটা চলছে।
দাঁড়িয়ে মাটি কাটার দৃশ্য দেখছেন তুহিদুল ইসলাম (৩২)। তিনি বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, তার নির্ধারিত গাছ কাটার কাজ শেষ। দুই দিনে মাত্র ১২০-১৩০টি গাছ কাটা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে মেহগনী, বহেরা, জামসহ কয়েক প্রজাতির গাছ ছিল।
hill cutingজেলা পরিষদের তথ্যমতে, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সরকারি চেয়ারম্যান বাসভবন নির্মাণের জন্যর মোট ৯৮ লাখ টাকার কাজ পায় বরকলের কেয়া এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এই কাজটি করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী। পরিষদের প্রকৌশল শাখারা এক কর্মকর্তা বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে  বলেন, এই ৯৮ লাখ টাকা থেকে আরো বাড়তে পারে।
রাঙামাটি জেলা পরিষদের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গাছ কাটা হয়েছে, পাহাড় কাটা হচ্ছে। জানি এটি অবৈধ কিন্তু কিছু করার নেই। পাহাড় এতটা কাটা হচ্ছে না। হঠাৎ করে পাহাড়ের পুরো গাছগুলো কাটার কারণে সেখানকার পরিবেশ বদলে গেছে। এটি মানুষের চোখে পড়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদ তার জায়গার মাটি কাটছে। এটি সরকারি কাজ। সরকার চাইলে শুধু ওই পাহাড় না পুরো রাঙামাটি শহরে কাটতে পারে। এই আর কি।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, যে বাসভবনটি নির্মাণ হচ্ছে এটি কারোর ব্যক্তিগত নয়। এ জায়গায় কিছু অংশে গর্ত রয়েছে। এগুলো সমান করতে মাটি ভরাট করতে হচ্ছে। তেমন পাহাড় কাটা হচ্ছে না।

বি এন আর/০০১৬০০৩০০২/০০০৩৩৪/এস

 

মতামত...