,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ পদ্মাতীরের রাজশাহীকে পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ এবং ইমারত নির্মাণ বা জলাশয় ভরাটের জন্য জেল-জরিমানার বিধান রেখে একটি আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২০ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬’ নামের এই আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

বর্তমান রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ১৯৭৬ সালের ‘রাজশাহী টাউন ডেভেলপমেন্ট অর্ডিনেন্স’ অনুযায়ী চলছিল জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সামরিক শাসনামলে জারিকৃত অধ্যাদেশ উচ্চ আদালত বাতিল করায় সেটি এখন আইনে পরিণত করা হয়েছে।

নতুন আইনে ৯টি অধ্যায় ও ৭টি ধারা রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, একটা কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এখানে একজন চেয়ারম্যান ও চারজন সার্বক্ষণিক সদস্য থাকবেন। এছাড়াও পদাধিকারবলে বাইরের কিছু সদস্য থাকবেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় মনোনীত জাতীয় গৃহায়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ মোট ১৫ জন সদস্য থাকবেন কমিটিতে।

শফিউল আলম বলেন, “রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আদলে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হবে। ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, শহরের জন্য মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও সে অনুযায়ী কাজ করা হলো এর মূল দায়িত্ব। অর্থাৎ একটা পরিকল্পিত নগর তৈরির দায়িত্ব রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। আইনে কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে যা ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।‘

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া কেউ কোনো ইমারত নির্মাণ বা পুকুর খনন করতে পারবে না। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ, যে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে কোন নির্মাণ বা পুকুর খননের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে, অনুমতি ছাড়া করা নির্মাণ করা যাবে না। কেউ নিচু জমি বা জলাশয় ভরাট করতে পারবে না, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

আইনের লঙ্ঘন করলে অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছর কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আগের অধ্যাদেশে শুধু ৫ হাজার টাকা জরিমানা ছিল বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

 

মতামত...