,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান ইসলামী ঐক্যজোটে

bnr logoনিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম,  ২৮ বৎসরের একটি পুরানো মামলা সচল করে দেশের উচ্চ আদালত হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আগামী ২৭ তারিখ শুনানীর জন্য কার্যতালিকা নথিভূক্ত করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে হেফাজত ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র নায়েবে আমির দেশের শীর্ষ আলেম ও পীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী বিবৃতি দিয়েছেন। নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে বলেন-বাংলাদেশের সংবিধানের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কি থাকবে না তার ভাগ্য নির্ধারণ হবে এই রিটের শুনানীর মাধ্যমে।

শতকরা ৯০% মুসলমানের এই দেশে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে নিয়ে রিট আবেদন, আদালতের শুনানী কার্যতালিকায় অর্ন্তভূক্ত করাই বিস্ময় প্রকাশ ও হতাশা ব্যক্ত করে নেতৃদ্বয় বলেন-আমরা হতাশ হলেও আশাম্বিত যে, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবর্গ এবং স্পীকার মহান জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ যেহেতু মুসলমান সেহেতু রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে নিয়ে কোন ষড়যন্ত্র হলে তাদের পক্ষ থেকেই প্রতিবাদ আসবেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ইসলামের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ তার সরকার করবে না। যদি তাই হয় তবে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বাদ দেওয়ার যে পায়তারা চলছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগী হতে হবে এবং যে কোন মূল্যে সংবিধানিক ভাবে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে রাখতেই হবে।

নেতৃদ্বয় এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জোড়ালো হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন-বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় মুসলিম দেশ হিসেবে সারা দেশের মানুষ গর্ববোধ করে। তাই বাংলাদেশের মানুষ নাস্তিকতাবাদকে কখনোও গ্রহণ করবে না। পৃথিবীতে সংখ্যাগুরুর ভিত্তিতে রাষ্ট্রধর্ম অনেক রাষ্ট্রে রয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল, ভূটান, শ্রীলংকাতে রাষ্ট্রধর্ম বৌদ্ধ যেহেতু তাদের সংখ্যাগুরু জনগণ বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী। এভাবে পৃথিবীর ২৭ দেশে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ও ২৮টি দেশের রাষ্ট্র ধর্ম খ্রীষ্টান রয়েছে। বিগত সময়ে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম হওয়ায় আমাদের দেশের সংখ্যালুগু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান তাদের ধর্মীয় কোন কাজ করতে কোন ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হয় নাই বা রাষ্ট্রীয় ভাবেও তারা কোন রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় নাই। তারপরেও হাইকোর্টের ঘাড়ে বন্দুক রেখে যদি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বাদ দেওয়ার কোন ষড়যন্ত্র হয় তবে এটা ধর্মীয় উস্কানী দিয়ে সরকার কে বিব্রত করার একটি অপ-কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।

সরকারকে জনগণের ম্যানডেড বুঝতে হবে, জনগণের ভাষা বুঝতে হবে, এটা একটা ধর্মীয় ইস্যূ, এই ইস্যূতে বাংলাদেশের মুসলমান কোন রকমের ছাড় দেবে না। সাধারণ মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে, নামাজ, রোজা, হজ্জ না করতে পারে কিন্তু ইসলাম ধর্মের উপর আঘাত সহ্য করতে পারে না। তারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে হলেও ইসলামকে ধারণ করবে। নেতৃদ্বয় বলেন- আলেম-ওলেমা, মসজিদের ইমাম ও ধর্মপ্রিয় মুসল্লীরা ক্ষমতার ভাগাভাগি হতে চায় না। রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধার ধার ধারে না। তারা ইসলাম নিয়ে মুসলমান হিসেবে বেঁচে থাকতে চায়। কোন নাস্তিক-কুলাঙ্গার যদি মুসলমানদের ধর্মীয় রীতিনীতি বিশ্বাসে আঘাত করতে চায় তবে তাদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে সারাদেশের তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে প্রতি মহল্লায়-মহল্লায়, থানা-উপজেলা থেকে প্রতিরোধের দাবানল জ্বলে উঠবে ইনশাআল্লাহ।

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১৯/০০০৩১২/এস

 

মতামত...