,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

লামা-আলীকদমের পি.আই.ও একের ভিতর ৪: প্রকল্প কাজে ধীরগতি

মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, আলীকদম (বান্দরবান), ২৯মার্চ, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বান্দরবানের লামা-আলীকদম উপজেলার পি.আই.ও অফিসার গত কয়েকমাস ধরে তিন উপজেলার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রুমা ও সদর উপজেলায়   পি.আই.ও না থাকায় ওই দুই উপজেলায় ও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

জানাযায়, রোয়াংছড়ি উপজেলার পি.আই.ও তর্পন দেওয়ান লামা-আলীকদম উপজেলা ছাড়াও রুমা ও সদর উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারনে কোন উপজেলায়ই সরকারী উন্নয়ন কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পালাক্রমে একটি নির্ধারিত তারিখে দায়িত্ব পালনে উপজেলাগুলোতে আসার তাগিদ থাকলেও তিনি তা করতে পারছেন না।  একজন পি.আই.ও সদরসহ পাহাড়ী চার উপজেলার দায়িত্বে থাকায় বিভাগীয় কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।

লামা-আলীকদম উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জানায়, অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত পি.আই.ও তর্পন দেওয়ান-এর দায়িত্ব অবহেলায় চলতি বছর গ্রামীণ অবকাঠামো-রক্ষণা-বেক্ষণ, উন্নয়ন সংস্কার বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করে বলেছেন, ১৫ ডিসেম্বর/১৬ তারিখে টি.আর.কাবিখা-কাবিটা’র ১ম কিস্তি বরাদ্দ হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির অনুকুলে বরাদ্দকৃত ১ম পর্যায়ের অর্থ ছাড় দেয়ার সর্বশেষ তারিখ ছিল- ৩১ জানুয়ারি/১৭। জানাগেছে, অদ্যবধি ১ম কিস্তির অর্থ ছাড় দেননি পি.আই.ও শাখা থেকে। এদিকে ২য় কিস্তির বরাদ্দ অনুমোদন হয়ে আছে জেলায়। এর ফলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চিয়তার আশংকায় রয়েছেন-জনপ্রতিনিধিরা।

এ ব্যপারে পি.আই.ও তর্পন দেওয়ান-এর সাথে আলাপ হলে তিনি জানান, প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড়ের ফাইল (আজ ২৯ মার্চ) উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে যাবে। বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদগুলো থেকে প্রকল্প তালিকা পেতে বিলম্ব কিংবা ত্রুটিপুর্ন তালিকা প্রদানের কারণে অর্থ ছাড় করতে প্রক্রিয়াগত দেরি হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ‘একাই চার উপজেলার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রেস্ট নিতেও পারছিনা।

জনপ্রতিনিধিরা জানান, বিগত বর্ষায় বিষ্টিতে নষ্ট হওয়া গ্রামীন রাস্তাঘাটগুলো জরুরীভিত্তিতে মেরামত করা দরকার। এদিকে বিষ্টির আরেকটি মৌসম শুরু হলেও এর মধ্যে কাজ শুর করা যাচ্ছেনা অর্থাভাবে। প্রতিনিধিরা; লামা-আলীকদম উপজেলার গুরুত্ব বিবেচনা করে, ১জন হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পাওয়ার দাবী জানান। পি.আই.ও’র শুণ্য কোঠায় লোক নিয়োগের জটিলতা উত্তোরণ পর্যন্ত পূর্বের ন্যয় উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের লোক দিয়ে হলেও নির্বিঘ কাজ চালিয়ে যাওয়ার দাবীও করেন এলাকার চেয়ারম্যান-মেম্বারগন।

অপর দিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা না থাকায় এই দু’ উপজেলায় ২০১৬-১৭ বছরে নির্মানাধিন পি.আই.ও ব্রিজ-এর কাজে ব্যাপক অনিয়ম হতে পারে বলে শংকা প্রকাশ করছে স্থানীয়রা।

মতামত...