,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

শহীদ জিয়ার পদক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জনগণ মেনে নিবে না : খসরু

kহোসেন বাবলা. চট্রগ্রাম, বিডিনিউজ রিভিউজঃ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ বলেছেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদক নিয়ে সরকার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যদি শহীদ জিয়ার স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহারের দুঃসাহস আওয়ামী লীগ দেখায় তবে দেশের জনগণ এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে। কারণ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকেই দেশের জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং নয় মাস যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছে। তাই এ স্বাধীনতা পদক জিয়াউর রহমানেরই প্রাপ্য। আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রহিংসার বশবর্তী হয়ে স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহার করার চেষ্টা করছে। তবে এ সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতী।’ তিনি বিকালে নগরীর পাঁচলাইশ সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের বাসভবনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের রাজনীতিবিদ, পেশাজীবি, সাংবাদিক, দলীয় নেতাকর্মী ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আগত অতিথিদের নিজ হাতে আপ্যায়ন করেন চারবারের সংসদ সদস্য সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী গরুর মাংসের সাথে পরটা, জর্দাভাত ও বিভিন্ন প্রকারের খাবার দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে সাবেক হুইপের বাসভবন।

অনুষ্ঠানে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানাও নেতাকর্মীদের সাখে খুশল বিনিময় করেন এবং তাদেরকে আপ্যায়ন করেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বাকশালী সরকারের পতন ঘনিয়ে এসেছে। কারণ তারা জনগণের ভোটের অধিকার, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে দেশে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছে। আর একনায়কতন্ত্র স্থায়ী হয় না। স্বৈরাচারী এরশাদ যেভাবে ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেনি ঠিক তেমনি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাও পারবে না। এজন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সরকার পতন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে হবে। তিনি আসলাম চৌধুরীসহ বিএনপি নেতাকর্মীদেও মুক্তি দাবি করেন।

পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেন, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি চাকসু ভিপি মো.নাজিম উদ্দিন, সাংবাদিক জাহেদুল আলম কচি, ুসাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড.আবু তাহের, পেশাজীবী নেতা ডা.খুরশিদ জামিল, মো.সেলিম চেয়ারম্যান, আবুল হোসেন চেয়ারম্যান,মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী, নেছার উদ্দিন ভুলু, এড রেজোয়ান নুর সিদ্দিকী উজ্জ্বল, আবদুল হাকিম, শামসুল আলম,গাজী ইউসুফ, ইকবাল চৌধুরী, ইয়াকুব চৌধুরী, আবদুল্লাহ হারুন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরু, সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু, নগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী সিরাজ উল্লাহ, সহ সভাপতি জসীম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম রাশেদ খান, জিয়াউর রহমান, সৈয়দ মহসিন, কাওনাইন চৌধুরী টিপু, বেলাল উদ্দিন জোনাব আলী, আবদুল করিম, এড ইসহাক, শাহেদুল আজম শাহেদ, আরিফুর রহমান, সরোয়ার টিপু প্রমুখ।

মতামত...