,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা নিতে হবেঃমেয়র

111a

 

নিজস্ব প্রতিবেদক , চট্টগ্রাম , বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম:: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, জাতির সম্পদ শিক্ষার্থীরা। তাদেরকে পাঠদানের পাশাপাশি নীতি-নৈতিকতায় ও মূল্যবোধের অধিকারী হতে শিক্ষা দিতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, পৃথিবীতে মা-ই একমাত্র নিঃস্বার্থ অভিভাবক, মায়ের দোয়া থাকলে জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করা কোন কঠিন কাজ নয়। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজী ঘৃনিত ও পাপ কর্ম- এ সব ঘৃনিত কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬খ্রি. শনিবার, দুপুরে শেরশাহ কলোনী ডা. মজহারুল হক হাই স্কুলে নির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে অত্র স্কুল কর্তৃপক্ষ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র এ সব কথা বলেন। উল্লেখ্য যে, শেরশাহ কলোনী ডা. মজহারুল হক হাই স্কুল এর নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনার। অনুষ্ঠানের শুরুতে ফলক উন্মোচন করে নব নির্মিত শহীদ মিনার শুভ উদ্বোধন করলেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক কাউন্সিলর ও অত্র স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ফরিদ আহমদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক এ কে এম ইমদাদুল আনোয়ার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, সাবেক কমিশনার জাফর আলম চৌধুরী সহ স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যগণ এবং স্থানীয় আওয়ামীলীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিটি মেয়র আরো বলেন, এলাকাবাসীর সম্মিলিত মতামত ও আনুষ্ঠানিক আবেদনের ভিত্তিতে শেরশাহ কলোনী ডা. মজহারুল হক হাই স্কুলটিকে সিটি কর্পোরেশনে অধিগ্রহনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। মেয়র বলেন, স্কুলের জায়গা স্কুলের নামে বরাদ্দের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন আছে। তিনি বলেন, ৩০ কাঠা জায়গা স্কুলের নামে বরাদ্দ পাওয়া গেলে স্কুলটিকে আধুনিক ও উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নিত করা সম্ভব হবে। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহনের পরই ক্লিন ও গ্রিন সিটির ভিশন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাতে আবর্জনা অপসারন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। অবিলম্বে ঘরে ঘরে আবর্জনা সংগ্রহ কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্প গ্রহন করা হবে। মেয়র বলেন, নগরীকে ডাস্টবিন মুক্ত নগরীতে পরিনত করা হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, আকাশ ছোঁয়া বিলবোর্ড অপসারন চলছে, গ্রিন সিটির কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, আশা করা যাচ্ছে ২০১৭ সনের মধ্যে চট্টগ্রাম ক্লিন ও গ্রিন সিটিতে পরিনত হবে। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, নগরীর হকারদের নিয়ন্ত্রনে আনা হবে। মোবাইল ভিহিক্যালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থানে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেয়া হবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহন করা হবে। তিনি বলেন, রাস্তা প্রশস্থকরণ, ওভারপাস নির্মাণ, খাল খনন, নালা-নর্দমার ধারন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। জলাবদ্ধতা ও নিয়ন্ত্রন আনা হবে। মেয়র সিটি কর্পোরেশনের সেবাধর্মী সকল কর্মকান্ডে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

চসিকের মিলন মেলা

নগরীর ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের মনোরম, দৃষ্টিনন্দন ও নৈসর্গিক পর্যটন ষ্পট ঠান্ডাছড়ি। পাহাড়, লেক ও সমতল মিলে এ স্থানটি পর্যটকদের জন্য বিনোদনের একটি উত্তম স্থান। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন বিভাগের আয়োজনে বসন্তের প্রথম দিবসে আয়োজিত হয় মিলন মেলা ও বনভোজন। এতে প্রায় ৪ হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ গ্রহন করে। কর্মচারীদের আনন্দঘন সরব উপস্থিতিতে সেখানে কুশল বিনিময়, নাচ-গান সহ নানান ধরনের সংস্কৃতি চর্চার আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সচিব, বিভাগীয় ও শাখা প্রধানদের সাথে নিয়ে মিলন মেলায় অংশ নেন। মেয়র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কুশল বিনিময় শেষে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে ঘিরে কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক সহ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার সদস্যদের একটি পরিবার। এ পরিবারের প্রত্যেকের সুখ-দুঃখের অংশীদার একে অপরে। তিনি বলেন, নগরবাসীর প্রদেয় ট্যাক্সের বিনিময়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। বিনিময়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অপরিহার্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সেবার স্বার্থে কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য শতভাগ পালন করতে হবে। গ্রিন ও ক্লিন সিটির ভিশন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। এক বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীর দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে। মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের কাজ কঠিন ও দুরহ। এ কঠিনকে জয় করে বাস্তবরূপ দিতে হবে। সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি দায়িত্ব ও কর্তব্যও শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোন ধরনের ছাড় পাওয়ার কোনই সুযোগ নেই । মেয়র বলেন, গ্রিন ও ক্লিন সিটির ভিশন বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্মার্ট সিটি ও মেগাসিটির ভিশন সামনে অপেক্ষা করছে। চট্টগ্রামকে প্রকৃত অর্থে প্রাচ্যেররানীর সাজে সাজিয়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, অচিরেই বাণিজ্যিক ও বন্দর নগরী চট্টগ্রাম বিশ্বে একটি মডেল নগরীতে পরিনত করা হবে। আ জ ম নাছির উদ্দীন তাঁর ভিশন বাস্তবায়নে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শতভাগ আন্তরিকতা সততা, নিষ্ঠা ও কর্তব্য পরায়নতা আশা করেন।

 

বি এন আর/ ১৬০২০০০৫১/পি

মতামত...