,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

শ্রীপুরে রাস্তার করুন অবস্থা জনদুর্ভোগ চরমে

sআশিকুর রহমান সবুজ, শ্রীপুর, শ্রীপুর উপজেলা যথেষ্ট অগ্রসর বলা যায়।   আয়তন – ৪৩৫.২৪ বর্গ কিলোমিটার জনসংখ্যা – ৩,৩৭,৩৬৭ জন ঘনত্ব – ৭২৫ জন ( প্রতি বর্গ কি: মি:) নির্বাচনী এলাকা – ১৯৬ গাজীপুর-৩ পৌরসভা – ০১টি ইউনিয়ন – ০৮টি মৌজা – ৮১টি সরকারী হাসপাতাল – ০১টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিক – ০৫টি পোস্ট অফিস – ০৯টি নদ-নদী – সুতিয়া, শীতলক্ষ্যা ও মাটিকাটা । হাট-বাজার -৩৮টি ব্যাংক (ক)

s1

বাণিজ্যিক-০৯টি (খ) গ্রামীণ-০৯টি পর্যাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করেছে। শ্রীপুর উপজেলায় রয়েছে ২টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ২টি কলেজ। উপজেলার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। উপজেলা পরিষদ থেকে পশ্চিমে মাওনায় রয়েছে পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। এছাড়া আরো দুটি কলেজের একটি মিজানুর রহমান খান মহিলা কলেজ শ্রীপুর পৌরসভা ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত। এটি উপজেলার একমাত্র মহিলা কলেজ। অপর কলেজটি ঐতিহ্যবাহী বরমী বাজারের পাশেই অবস্থিত বরমী ডিগ্রী কলেজ।
শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছড়িয়ে আছে, অনেকগুলো উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা বিলিয়ে চলেছে শিক্ষার আলো। এগুলোর মধ্যে মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কেওয়া তমির উদ্দিন আলীম মাদরাসা, কাউরাইদ কেএন উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, দারুল উলুম কওমী মাদরাসা, গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বরমী বাজার বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়, বরমী জামিয়া আনওারিয়া মাদ্রাসা, সাতখামাইর উচ্চ বিদ্যালয়, বরমী বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আলহ্বাজ ধনাই বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়, আবেদ আলী গার্লস হাই স্কুল, গাড়ারণ খলিলিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা অন্যতম।
অর্থনীতি
উপজেলার বিশাল এলাকার মাওনা ও অন্যান্য জায়গায় একাধিক সরকারি ও বেসরকারী পার্ক ও উদ্যান রয়েছে। যেখানে দেশের অন্যান্য অঞ্চল হতে লোকজন বনভোজনের জন্য আগমন করে থাকে। শ্রীপুর উপজেলা এলাকায় প্রচুর পরিমাণ মৌসুমী ফল হয়। বিশেষ করে কাঁঠালের মৌসুমে এখানকার কাঁঠাল স্থানীয় চাহিদা পুরনের পর দেশের অন্যান্য অঞ্চলে রপ্তানী করা হয়ে থাকে। এছাড়া উপজেলা এলাকায় অনেক আম ও লিচু বাগান রয়েছে, যা অর্থনীতিতে ব্যপক ভূমিকা রাখে। উপজেলার মাওনা অঞ্চলটি জেলার অন্যতম ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে ইতোমধ্যেই সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে বিপুলসংখ্যক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদের মধ্যে গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, সিরামিক, কাচ ও কেমিক্যাল শিল্প উল্লেখযোগ্য।

এতো কিছু থাকার পরও মনে হয় কি যেন নেই,আর তা হচ্ছে চলাচলের রাস্তা।রাস্তা আছে ঠিক তবে সাধারন জনগনের চলাচলের উপযোগি নয়।মাওনা থেকে শ্রীপুরের যে রাস্তাটা এই রাস্তা দিয়ে শুকনো মৌসুমে চলাচল করলে চোখ বন্ধ করে চলতে হয় ধুলি বালির জন্য,রাস্তায় গর্তের কোন অভাব নেই।
শ্রীপুরে প্রায় অনেক রাস্তারই করুন অবস্থা এগুলোর বর্ননা দিয়ে শেষ করা যাবে না।

মতামত...