,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সন্ত্রাসীদের ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে বিচার কাজ চালাবো: প্রধান বিচারপতি

sk sinনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ ‘যেসব আসামিদের আদালতে হাজির করতে ঝুঁকি রয়েছে, তাদেরকে সরাসরি কোর্টে হাজির না করে, আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে তাদের বিচার কাজ চালাবো’।

বিচার বিভাগকে ডিজিটালাইজড করতে জাজেস লাউঞ্জে রোববার (২৮ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ-টুআই প্রোগ্রামের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এসব কথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ-টুআই প্রকল্পের পরিচালক কবির বিন আনোয়ার সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার হোসনেয়ারা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার‌্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘কারাগারে থাকা সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন মামলায় এক জেলা থেকে আরেক জেলায় নিতে তাদের নিতে খুবই অসুবিধা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন শীর্ষস্থানীয় সন্ত্রাসীকে জেল থেকে আদালতে নেওয়ার সময় মাঝপথে সন্ত্রাসীরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এগুলো অতিক্রম করতে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করতে চাচ্ছি। এই রকম যারা আছে, তাদেরকে সরাসরি কোর্টে হাজির না করে, আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে তাদের বিচার কাজ চালাবো’।

‘সে লক্ষ্যে আমি এবং আমার কর্মকর্তারা কাশিমপুর কারাগারে গিয়েছি, সেখানে কি কি ব্যবস্থা আছে তা দেখার জন্য’।

‘আমরা নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারে যেতে চেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যতো কার্যক্রম হচ্ছে, সেখান থেকে যদি একটু হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সন্ত্রাসীদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা, এক জেলা থেকে আরেক জেলায় নেওয়া এবং জেল থেকে কোর্টে নেওয়া আমরা মিনিমাইজ করতে পারবো। এতে বিচার খুব ত্বরান্বিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি’।

তিনি আরও বলেন, ‘দ্রুত মানসম্মত সেবা দিতে বিচার বিভাগে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বশেষ সুবিধাগুলো ব্যবহার করে নাগরিকদের কাছে তাদের পছন্দের ডিভাইসে মামলার তথ্য পাঠানোর কাজটিও নিশ্চিত করা কঠিন কাজ হবে না’।

বিচার বিভাগে নেওয়া ডিজিটাল ব্যবস্থা সম্পর্কে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, ‘বিচার ব্যবস্থায় আমরা যেসব আইসিটি সুবিধা যুক্ত করেছি তার মধ্যে আছে সুপ্রিম কোর্ট এবং পরীক্ষামূলকভাবে তিন জেলায় মামলা ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার চালু, কজলিস্ট ও মামলার তথ্য অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে সরবরাহ, সুপ্রিম কোর্ট ও এর অধীনস্থ আদালতের মামলার তথ্য খোঁজার জন্য মোবাইল অ্যাপস তৈরি এবং আদালত প্রশাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য ওয়েবভিত্তিক জুডিসিয়াল অফিসার্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট অ্যাপলিকেশন তৈরি’।

‘সুপ্রিম কোর্ট তার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কিত তথ্যাদি প্রদানের নিমিত্তে একটি ওয়েবপোর্টাল তৈরি করেছে। এ ওয়েবপোর্টাল দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কজলিস্ট এবং জামিন প্রাপ্তি যাচাই বিষয়ক সফট্ওয়্যার পরিচালিত হচ্ছে’।

মতামত...