,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সম্প্রীতিই সংস্কৃতির বিকাশ ঘটায়ঃফিরোজা বেগম চিনু

aনাজমুল হক হৃদয়,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ রাঙামাটি, সম্প্রীতি বজায় থাকলে সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি সংস্কৃতির বিকাশে যে কোন উদ্যোগ নেয়া হলে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের আয়োজনে বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিষু মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য ফিরোজা বেগম চিনু এমপি এসব কথা বলেন।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন, জেলা পরিষদ সদস্য সান্তনা চাকমা ও জেলা শিল্পকলা একাডেমীর প্রাক্তন পরিচালক মুজিবুল হক বুলবুল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুনেল চাকমা। মহিলা সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু আরো বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ পোশাক পরিচ্ছদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য ফ্যাশেনাবল পোশাকে পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারে। তিনি বলেন, পাহাড়ি-বাঙালি সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে যাতে পার্বত্য সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারি। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যে যেই জাতিগোষ্ঠীর হইনা কেন সকলে মিলেমিশে সকলের উৎসব সানন্দে পালন করব। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তিনি বলেন, কালের বিবর্তনে নৃ-গোষ্ঠীদের হস্তশিল্প কর্ম হারিয়ে যেতে বসেছে। এ শিল্পগুলোকে আমাদের তুলে ধরতে হবে বিশ্ব বাজারে। হস্ত শিল্পের প্রসারে তিনি সমিতির মাধ্যমে জেলা পরিষদ কর্র্তৃক সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় অধিবাসীদের নিজস্ব তৈরি হস্তশিল্প নমুনা পাঠানোর জন্য আমেরিকা রাষ্ট্রদূত এর পক্ষ থেকে পত্র পাঠানো হয়েছে। এসব পণ্য যদি তাদের পছন্দনীয় হয় তবে তাদের বাজাররেও বাজার করণের উদ্যোগ নিবেন তারা। তিন দিনব্যাপী মেলার মধ্যে রয়েছে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, আদিবাসী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক। এছাড়া তিন দিনব্যাপী মেলায় আদিবাসীদের তৈরি পোশাক অলংকার সামগ্রিসহ বিভিন্ন পণ্যের স্টল বসানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রামের (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) এগার ভাষাভাষি চৌদ্দটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আদিবাসী জাতিসত্তার বসবাস। এসব সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব হচ্ছে বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিষু-বিহু। পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত আদিবাসীদের এই উৎসবটি উচ্চারণগতভাবে বিভিন্ন নামের পালন করলেও এর নিবেদন ও ধরন কিন্তু একই। তাই এ উৎসবটি আদিবাসী পাহাড়িদের শুধু আনন্দের নয়, সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সামাজিক, রাজনৈতিক অর্থনৈতিক, ঐক্য ও মৈত্রী বন্ধনের প্রতীকও বটে।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০৫/০০০৪৮০৭/ এন

মতামত...