,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সম্মাননা পেলেন ৪১ সেরা কর প্রদানকারী

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির বিকল্প নেই। আর কর দিয়ে এই রাজস্ব আয় বাড়ানোর দায়িত্ব নিতে হবে জনগণকেই। তিনি

বুধবার সকালে দীর্ঘমেয়াদী ও সর্বোচ্চ করদাতাসহ চার ক্যাটাগরির কর দাতাদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলাশেষে গতকাল বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৪১ জন সেরা করদাতাকে সম্মাননা দিতে চট্টগ্রাম আয়কর বিভাগ নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে মেলার সমাপনী এবং সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনার গোলাম কিবরীয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা, চিটাগাং চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম, চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহফুজুল হক মনি।

প্রধান অতিথি দেশের ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও উদ্যোক্তাদের অনেকে অনেকভাবে সমালোচনার চেষ্টা করেন মন্তব্য করে মেয়র বলেন, ‘আমি কিন্তু এ নেগেটিভ বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষপাতি নই, পজিটিভভাবে দেখার পক্ষপাতি। উনারা দেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশ্বে দেশের সুনাম বৃদ্ধি, সরকারের কর ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে নানা সহযোগিতা করছেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ যে সব উন্নত দেশ আছে প্রতিটি দেশ কিন্তু আজকের জায়গায় পৌঁছার পেছনে ওই দেশের নাগরিকদেরই ভূমিকাই মুখ্য। আমাদেরও একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।

মেয়র বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ছিল ৭৫৬ কোটি টাকা। ৪৬ বছরের ব্যবধানে সেই বাজেট এখন চার লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। জনগণের কর দেয়ার ফলে এটা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের টার্গেট হলো ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হওয়া। উন্নত দেশের স্বপ্নপূরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই রূপকল্প নির্ভর করছে জনগণের ওপর। তিনি সেরা করদাতাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং করযোগ্য আয়কর দাতাদের ন্যায্য কর প্রদান করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র চার ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত ৪১ জন করদাতার হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।

চট্টগ্রামের কর বাহাদুররা হলেন– আলিহুসাইন আকবরআলি ও তার পরিবার, আবুল হাশেম ও তার পরিবার, একেএম শামসুদ্দিন খান ও তার পরিবার,ফরিদ আহমেদ ও তার পরিবার, জোহাইর তাহের আলী ও তার পরিবার, নুরুল ইসলাম বিএসসি ও তার পরিবার, মো. এম জালাল উদ্দিন চৌধুরী ও তার পরিবার এবং নুর নাহার জামান ও তার পরিবার।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় দীর্ঘমেয়াদী করদাতা হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন আন্দরকিল্লার মিস ফাতেমা বিবি ও চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. এইচ কে এম জি মোর্তুজা। সর্বোচ্চ মহিলা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন কোর্ট রোডের মিস ফারহানা মোনেম। এছাড়া সর্বোচ্চ তিন করদাতা হলেন– আসাদগঞ্জের অসিত কুমার সাহা, কদমতলী ডিটি রোডের মো. আমজাদ খান, পাথরঘাটা মিরেন্ডা লেনের মো. নাছির উদ্দিন। তরুণ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন খাতুনগঞ্জ হক মার্কেটের শিহাব উদ্দিন।

চট্টগ্রাম জেলা (সিটি ব্যতীত) : দীর্ঘমেয়াদী করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন দুই করদাতা মোহাম্মদ সোলায়মান ও মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী। সর্বোচ্চ মহিলা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন আনিকা তাহজীব। সর্বোচ্চ তিন করদাতা আবুল হাসেম, মো. সামশুল হুদা, মিস তাসমিয়া আম্বেরীন। এছাড়া তরুণ সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মঈন উদ্দিন শাহরিয়ার।

কক্সবাজার জেলা : দীর্ঘমেয়াদী করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মো. আবুল কাশেম, সালেহ আহমদ। সর্বোচ্চ তিন করদাতা হয়েছেন আতিকুল ইসলাম, সাইফুল করিম ও ওছিউর রহমান। সর্বোচ্চ মহিলা করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন ফারহানা ইয়াছমিন। এছাড়া তরুণ সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন আসাদ উল্লাহ।

রাঙামাটি জেলা : দীর্ঘমেয়াদী করদাতা মো. লিয়াকত আলী। সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন লোকমান হোসেন তালুকদার, মো. খলিলুর রহমান, মো. আবু সৈয়দ। সর্বোচ্চ নারী করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মিস চিত্রা চাকমা। এছাড়া তরুণ সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মো. আসাদুজ্জামান মহসিন।

বান্দরবান জেলা : দীর্ঘমেয়াদী করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মো. নুরুল আলম, বাদল কান্তি বড়–য়া। সর্বোচ্চ তিন করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মো. নুরুল আবছার, আবদুস শুক্কুর, মাহবুবুর রহমান। সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী মহিলা করদাতা হয়েছেন মে হ্লা প্রু। সর্বোচ্চ করপ্রদানকারী তরুণ করদাতা ওমর কবির।

খাগড়াছড়ি জেলা : দীর্ঘমেয়াদী করদাতার সম্মাননা পেয়েছেন মো. শাহ আলম, মো. জসিম উদ্দিন। সর্বোচ্চ তিন করদাতা মো. আবুল কালাম, মো. শহীদুল ইসলাম ভুঁইয়া, মো. নজরুল ইসলাম। সর্বোচ্চ করপ্রদানকারী মহিলা করদাতা মিস ফরিদা আক্তার। সর্বোচ্চ করপ্রদানকারী তরুণ করদাতা হয়েছেন রাজিব বণিক।

মতামত...