,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সরকারি ৭৩ শতাংশ অফিসে নারীদের আলাদা টয়লেটের নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ ঢাকা, রাজধানীর পাবলিক টয়লেটের ৬০ শতাংশই অপরিষ্কার। ৭৩ শতাংশ সরকারি অফিসে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থান নেই।

বুধবার ১৮ মে রাজধানীতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন- পবা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। এছাড়া উওর সিটি করপোরেশের একটি ছাড়া আর কোথাও প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই বলেও জরিপে উঠে এসেছে।

টয়লেট জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের আলোকে সংবাদ সম্মেলনের মূল বক্তব্যে আব্দুস সোবহান বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের একটি স্থান ছাড়া কোথাও প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। অথচ তারা মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ। নারীদের সমঅধিকার সমমর্যাদার কথা বলা হলেও তাদের জন্য সরকারি-বেসরকারি অফিসে নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক টয়লেট। জনসংখ্যা সুরক্ষায় সাবান দিয়ে হাত ধোওয়া জরুরি, অথচ কোথাও নেই এই সাবান।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের টয়লেটগুলো বাৎসরিক চুক্তিতে ইজারার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অথচ সিটি কর্পোরেশনের তদারকি না থাকায় ইজারাদাররা তাদের ইচ্ছামতো টয়লেটগুলো পরিচালনা করছে। ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশনই স্যানিটারি ইন্সপেক্টর থাকা সত্ত্বেও পাবলিক টয়লেটগুলো তদারকি করা হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ পাবলিক টয়লেটের অবস্থা ব্যবহার অনুপযোগী। কোনোটির দরজা নেই, সিটকিনি নেই, পানি নেই, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নেই, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন, ময়লা, দুর্গন্ধ, ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, ময়লা পানি জমে থাকে। নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাবলিকসহ সকল টয়লেট উন্নয়নে ১১ দফা সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানান এই পরিবেশবাদী।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী, প্রফএসর ড. কে এম ফরমুজুল হক, অ্যাডভোকেট হাসান তারিক চৌধুরী।

ঢাকা মহনগরীর পাবলিক, সরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মার্কেটের যথাক্রমে ২৭টি, ১৫টি, ১২টি, ১০টি ও ৭টি স্থানে এ জরিপ ও পর্যবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করা হয়। ঢাকা মহানগরের বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য ৬০টি পাবলিক টয়লেট রয়েছে। এগুলোতে নারী কর্মী না থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে নারী ও শিশুদের। গরিব মানুষ বিশেষ করে হকার, রিকশাচালক, ভিক্ষুক ও ভাসমান মানুষের টয়লেট ব্যবহারের কোনো ব্যবস্থা নেই। তারা খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করে

মতামত...