,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় মীর কাসেম আলী ফাঁসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী  জানিয়েছেন তিনি প্রাণভিক্ষা চাইবেন না। ফলে এখন কেবল সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা কখন তার ফাঁসি কার্যকর করা হবে ।

মীর কাসেমকে কখন, কোথায় ফাঁসিতে ঝোলানো হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা শনিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সব প্রস্তুতিই নিয়ে রেখেছেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেছেন, সরকারি আদেশ বাস্তবায়নে কারা কর্তৃপক্ষ সব সময়ই প্রস্তুত আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ফাঁসি কার্যকর করা হবে।

এতিকে কারাগার এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার বিকাল থেকেই কারগারের বাইরে দেখা গেছে সংবাদকর্মী আর সাধারণ মানুষের ভিড়। সবার নজর এখন কাশিমপুরের এ কারাগারের দিকে।

কারা বিধি ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাসেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তার সঙ্গে শেষবার দেখা করতে দেওয়া হবে পরিবারের সদস্যদের।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্য মীর কাসেমকে ২০১৪ সালে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ বছরের মার্চে আপিল বিভাগেও সেই রায় বহাল থাকায় তিনি রিভিউ আবেদন করেন।

প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ গত ৩০ আগস্ট কাসেমের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে পরদিন সকালে তা আসামিকে পড়ে শোনানো হয়। মীর কাসেম প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না তাও জানতে চাওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার একই প্রশ্ন করা হলে সময় চান তিনি।

পরবর্তীতে কাশিমপুর কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক শুক্রবার বিকেলে জানান, মীর কাসেম তাদের জানিয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রণভিক্ষা চাইবেন না।

এরপর থেকেই অপেক্ষা কখন মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

মতামত...