,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

সরকার বিএনপিকে শক্তিশালী ও জঙ্গি মুক্ত দেখতে চায়ঃড. হাছান

687নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা,১৫, জানুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম): বিএনপিকে শক্তিশালী ও জঙ্গি নেতৃত্ব মুক্ত দল হিসেবে সরকার দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আন্তর্জাতিক জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে বেগম জিয়া ও তার দল জড়িত। বেগম জিয়া যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিদের নিয়ে জোট করেছেন। তাদের সঙ্গেই বেগম জিয়ার বসবাস। বিশ্বব্যাপী যেসব সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠন সন্ত্রাসের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের এ দেশে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন বিএনপি নেত্রী এবং এ জঙ্গি সংগঠনগুলোকে সরাসরি অর্থায়ন করছে বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। হাছান মাহমুদ বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিয়ে নিজেরাই নিজেদের হত্যা করেছে। বিএনপি মুসলিম লীগের মত হাওয়ায় ভেসে যাচ্ছে। এখন অনেকটা দুর্বল হয়ে গেছে। সরকার বিএনপিকে শক্তিশালী দল হিসেবে দেখতে চায়। সেই সঙ্গে জঙ্গি নেতৃত্ব মুক্ত বিএনপি দেখতে চায়।

সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন,দেশ থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হলে যারা এদের অর্থায়ন করছে তাদের বিরুদ্ধেও যেন কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়। এ সময় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, এ দেশের জঙ্গি, সন্ত্রাস, নষ্ট রাজনীতি, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে একাত্তরের ঘাতক, তাদের দোসর ও প্রেতাত্মারাই পায়তারা করছে। তিনি বলেন, আমরা দেখতে চাই বাংলাদেশে সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। তাই বাংলাদেশ সরকার জঙ্গি দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদের গতকালের বক্তব্যের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি এমন করুণ পরিণতির জন্য বেগম জিয়া ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ। আপনাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন বারবার যুদ্ধাপরাধীদের সংশ্রব ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল।অথচ আপনারা তা না করে যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিদের নিয়ে দেশব্যাপী অগ্নিসন্ত্রাস করেছেন। আপনাদের এমন করুণ পরিণতির জন্য আপনারাই দায়ী।

এ সময় হাছান মাহমুদ বিএনপির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপির উচিত ছিল ৫ জানুয়ারি আত্মহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা। এখনো সময় আছে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য দল গোছান। বেগম জিয়াসহ যারা বিএনপির এমন করুণ পরিণতির জন্য দায়ী তাদের দল থেকে সরিয়ে দিন।

বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরকারি ও বিরোধি উভয় পক্ষই হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি; প্রগতিশীলদের বিপক্ষে রাজনীতি করবে প্রগতিশীলরা-এমনটাই জনগণের প্রত্যাশা।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুজাফ্ফর হোসেন পল্টু, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সংগঠনের সভাপতি আসাদুজ্জামান দূর্জয়সহ আরো অনেক।

 

মতামত...